kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

টেক্সাসের আলোচিত গর্ভপাত আইন

বাতিলের অনুরোধ জানাবে বাইডেন প্রশাসন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন গত শুক্রবার বলেছে, তারা টেক্সাসের গর্ভপাত নিরোধ আইন বাতিল করার জন্য সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ জানাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আপিল আদালত ওই আইন পুনর্বহাল করার রায় দেওয়ার পর বাইডেন প্রশাসন এ কথা জানাল।

টেক্সাসের আইন অনুযায়ী, গর্ভধারণের ছয় সপ্তাহ পেরিয়ে গেলে নারীরা আর গর্ভপাত করাতে পারবেন না। কারণ ছয় সপ্তাহের মাথায় মানবভ্রূণের হৃত্স্পন্দন শনাক্ত করা যায়। কিন্তু সমস্যা হলো অনেক নারী ছয় সপ্তাহের মধ্যে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি বুঝতে পারেন না। ফলে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গর্ভধারণ করা নারীরা বিপাকে পড়েন। অনেকে অন্য রাজ্যে গিয়ে গর্ভপাত করাচ্ছিলেন। কেউ পার্শ্ববর্তী মেক্সিকোয় চলে যাচ্ছিলেন।

গত সেপ্টেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট ৫-৪ ভোটে সিদ্ধান্ত নেন, এ আদালত টেক্সাসের বিতর্কিত গর্ভপাত নিরোধ আইনের বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। পরে গত সপ্তাহে ওই আইন ‘স্পষ্টতই অসাংবিধানিক’ উল্লেখ করে টেক্সাসের ডিস্ট্রিক্ট আদালত আইনটির ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এরপর জটিল আইনি দ্বন্দ্ব শুরু হয়। কয়েক দিন পর ফিফথ সার্কিট কোর্ট অব আপিল আদালত ওই আইন পুনর্বহালের রায় দেন। গত বৃহস্পতিবার আদালত নিশ্চিত করেন যে চলমান প্রক্রিয়ার মধ্যে ওই আইন বহাল থাকবে।

বাইডেন প্রশাসন ওই আইন বাতিলের জন্য সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবে বলে ব্যাপকভাবে প্রত্যাশা করা হচ্ছিল। আসন্ন দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ওই আইনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

‘টেক্সাস হৃত্স্পন্দন আইন’ অনুযায়ী, গর্ভপাতের সঙ্গে জড়িত চিকিৎসক এবং তাঁকে সহায়তা করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে জনগণই অভিযোগ করতে পারবে। অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হলে তাদের ১০ হাজার ডলার পুরস্কৃত করা হবে। অর্থাৎ এই আইনে জনগণকেই গর্ভপাতের ঘটনা বন্ধ করতে পাহারা দেওয়ার জন্য উৎসাহিত করা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হলেও ছয় সপ্তাহের পর তিনি গর্ভপাত করাতে পারবেন না।

এ আইনের বিরুদ্ধে একাধিক মানবাধিকার সংগঠন আন্দোলনে নামে। এ আন্দোলনে অংশ নেয় হাজার হাজার নারী। সূত্র : এএফপি।



সাতদিনের সেরা