kalerkantho

বুধবার । ৪ কার্তিক ১৪২৮। ২০ অক্টোবর ২০২১। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

চীন-কানাডার তিন নাগরিকের মুক্তি একই দিনে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



প্রায় আড়াই বছর বন্দি থাকা কানাডার দুই নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে চীন। গত শুক্রবার তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ওই দিনই কানাডায় চীনা প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা মেং ওয়ানঝোকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। তাঁর মুক্তির পরই কানাডার ওই দুই নাগরিকের মুক্তির খবর আসে। এরই মধ্যে তাঁরা কানাডার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন।

মুক্তির পর শুক্রবারই কানাডা ত্যাগ করেন মেং ওয়ানঝো। যুক্তরাষ্ট্রের কৌঁসুলিদের সঙ্গে এক চুক্তির পর তাঁকে কানাডা ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপরই মুক্তি পান দুই কানাডীয় মাইকেল কোভরিগ ও মাইকেল স্প্যাভোর। মাইকেল কোভরিগ সাবেক কূটনীতিবিদ ও মাইকেল স্প্যাভোর একজন ব্যবসায়ী। ২০১৮ সালে কানাডার এ দুই নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি বছরের আগস্টে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে স্প্যাভোরকে ১১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন চীনা আদালত। তবে কোভরিগের মামলার রায় এখনো প্রকাশিত হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধে চীনা প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী মেং ওয়ানঝো কানাডায় আটক হওয়ার পরপরই কোভরিগ ও স্প্যাভোরকে আটক করে চীন। এই প্রেপ্তারকে বিচারবহির্ভূত আখ্যা দেয় কানাডা। তবে হুয়াওয়ে কর্মকর্তাকে আটকের প্রতিশোধ হিসেবে এই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে চীন।

দুই কানাডীয়র মুক্তির বিষয়ে শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাস্টিন ট্রুডো বলেন, ‘দুজন দেশে ফিরে আসছেন। এটি একটি খুশির খবর।’ গতকাল শনিবারই কানাডার মাটিতে পা রাখার কথা রয়েছে তাঁদের। পথে তাঁদের সঙ্গী হয়েছেন চীনে নিযুক্ত কানাডার রাষ্ট্রদূত ডোমিনিক বার্টন। চীনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। তবে তিনি এটাও বলেছেন, দুই কানাডীয়কে বিচারবহির্ভূতভাবে আড়াই বছরের বেশি সময় বন্দি থাকতে হয়েছে।

এদিকে শুক্রবার মুক্তির পর মেং ওয়ানঝো সাংবাদিকদের বলেন, ‘বিগত তিন বছরে আমার জীবন উল্টে গেছে। তবে অন্ধকারের শেষে আলো আসবেই। সারা বিশ্বের মানুষের কাছ থেকে যে শুভেচ্ছা পেয়েছি, তা আমি কখনো ভুলব না।’

যুক্তরাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অনুরোধে ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মেংকে গ্রেপ্তার করে কানাডা। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে ইরানে হুয়াওয়ে লেনদেন করেছিল—এমন অভিযোগ তুলে যুক্তরাষ্ট্র তাঁকে গ্রেপ্তারে কানাডার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে, স্কাইকম নামের এক অনানুষ্ঠানিক সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের টেলিকম কম্পানির সঙ্গে ব্যবসা করছে হুয়াওয়ে। সূত্র : বিবিসি।



সাতদিনের সেরা