kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১২ কার্তিক ১৪২৮। ২৮ অক্টোবর ২০২১। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

‘করোনা থেকে যাবে সর্দিকাশি হিসেবে’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘করোনা থেকে যাবে সর্দিকাশি হিসেবে’

নভেল করোনাভাইরাস নির্মূলের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন খ্যাতনামা বিজ্ঞানী সারাহ গিলবার্ট। তিনি মনে করেন, চলমান মহামারির জন্য দায়ী সার্স-কভ-২ ভাইরাসটি দুর্বল হয়ে সাধারণ সর্দিকাশিরূপে মানবদেহে থেকে যেতে পারে। গত বুধবার যুক্তরাজ্যের রয়েল সোসাইটি অব মেডিসিন আয়োজিত এক ওয়েবিনারে তিনি এ অভিমত তুলে ধরেন।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার কভিড-১৯ টিকার অন্যতম এই উদ্ভাবকের কথায় এর মধ্যে চার ধরনের করোনাভাইরাস মানবদেহে আবাস গেড়েছে, যেগুলো নিয়ে আমাদের তেমন কোনো উদ্বেগ নেই। সার্স-কভ-২ ভাইরাসও ধীরে ধীরে এমন সাধারণ রূপ নেবে।

সারাহ গিলবার্ট এও বলেন, ‘এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যে সাধারণ সর্দিকাশিরূপে যেতে করোনা কত সময় নেবে এবং সেই পর্যন্ত ভাইরাসটিকে ঠেকাতে আমরা কী করছি।’

এদিকে টাইমস রেডিওর প্রশ্নের জবাবে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের প্রখ্যাত অধ্যাপক স্যার জন বেল বলেছেন, আগামী বসন্ত (মার্চ-মে) নাগাদ করোনাভাইরাস সাধারণ সর্দিকাশিতে রূপ পেতে পারে। টিকাদান ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরির মাধ্যমে এ অবস্থায় যাওয়া সম্ভব হবে। 

বুস্টার ডোজের অনুমোদন দিল এফডিএ

যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ বা তার বেশি বয়সী নাগরিক, প্রাণঘাতী কভিডের কারণে উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি এবং যাদের নিয়মিত ভাইরাসের সংস্পর্শে যেতে হয় তাদেরকে ফাইজার-বায়োএনটেকের কভিড বুস্টার ডোজ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে দেশটির খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (এফডিএ)। এর ফলে অন্তত ছয় মাস আগে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছিলেন এমন লাখ লাখ মানুষ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন।

ধনী দেশে বিপুল টিকা নষ্টের শঙ্কা

গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এয়ারফিনিটির তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের ধনী দেশগুলো বিপুল পরিমাণে করোনার টিকা মজুদ করছে। বর্তমানে উৎপাদনকারীরা মাসে ১৫০ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদন করছে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ এর সংখ্যা এক হাজার ১০০ কোটি ডোজে দাঁড়াবে। বছর শেষে ধনী দেশগুলোর হাতে ১২০ কোটি ডোজ করোনার টিকা উদ্বৃত্ত থাকতে পারে, যা তাদের দরকার হবে না।

এয়ারফিনিটির প্রধান গবেষক ম্যাট লিনলে বলেন, এই উদ্বৃত্ত টিকার এক-পঞ্চমাংশ বা ২৪ কোটি ১০ লাখ ডোজ যদি খুব শিগগির বিনা মূল্যে বিতরণ করা না হয়, তাহলে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আর এসব টিকা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার অন্তত দুই মাস আগে না পেলে দরিদ্র দেশগুলো তা গ্রহণ নাও করতে পারে। সূত্র : স্ট্যান্ডার্ড, স্কাই নিউজ, বিবিসি।



সাতদিনের সেরা