kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

মিথ্যাচারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার

ম্যাখোঁর সঙ্গে কথা বলবেন বাইডেন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিথ্যাচারের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান অস্ট্রেলিয়ার

নতুন সামরিক জোট অকাস নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ফ্রান্সের কূটনৈতিক টানাপড়েন অব্যাহত আছে। সাবমেরিন চুক্তি বাতিল করা নিয়ে গতকাল অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ তুলেছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভ লো দ্রিয়াঁ। অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে অস্ট্রেলিয়া বলেছে, চুক্তি বাতিলের বিষয়ে ফ্রান্সকে আগেই জানানো হয়েছিল।

এদিকে বিরাজমান কূটনৈতিক উত্তেজনা নিরসনের লক্ষ্যে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। দু-এক দিনের মধ্যে এই আলোচনা হতে পারে বলে ফরাসি সরকারের এক মুখপাত্র নিশ্চিত করেছেন।

গত বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে ‘অকাস’ জোটের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া। অকাস চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরির জন্য অস্ট্রেলিয়াকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। এ ছাড়া তিনটি দেশ একে অন্যের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), কোয়ান্টাম ও সাইবার প্রযুক্তি ভাগাভাগি করতে পারবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের আধিপত্য মোকাবেলাই এই জোটের মূল লক্ষ্য। এরই মধ্যে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলেছে অকাস। এই জোটের কারণে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফ্রান্স। ফ্রান্সের সঙ্গে একটি বড় অঙ্কের চুক্তি বাতিল করতে হয়েছে অস্ট্রেলিয়াকে।

সর্বশেষ গতকাল সাবমেরিন চুক্তি বাতিল করা নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ তোলেন জাঁ-ইভ লু দিরিয়া। তিনি বলেন, ‘যেটা ঘটেছে তা মিথ্যাচার, কপটতা ও বিশ্বাসভঙ্গের শামিল। এটা হতে পারে না।’

লো দ্রিয়াঁর এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, ‘ফ্রান্সের কাছ থেকে যেসব সাবমেরিন কেনার কথা ছিল, সেগুলো দিয়ে আমাদের কৌশলগত স্বার্থ যে রক্ষা করা যাবে না, সে বিষয়টি ফ্রান্স না জানার কোনো কারণই নেই। আমরা তাদের স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলাম যে জাতীয় স্বার্থের কথা বিবেচনা করে আমরা সাবমেরিন কেনার চুক্তিটি পুনর্বিবেচনা করব।’

মরিসন আরো বলেন, ‘আমি ফ্রান্সের হতাশা উপলব্ধি করতে পারছি, কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় স্বার্থে প্রাধান্য দেওয়ার কারণে আমার মধ্যে এতটুকু অনুশোচনা নেই, অনুশোচনা হবেও না।’

যুক্তরাজ্য থেকে রাষ্ট্রদূতকে ডেকে না পাঠানোর কারণ হিসেবে লো দ্রিয়াঁ বলেন, ‘পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করতে আমরা অস্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের দূতকে ডেকে পাঠিয়েছিলাম। যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়েনি। কারণ আমরা জানি যে যুক্তরাজ্য সুবিধবাদী।’ সূত্র : এএফপি।



সাতদিনের সেরা