kalerkantho

বুধবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৮। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ২১ সফর ১৪৪৩

নিরাপত্তারক্ষীরা বাঁচাবে, আশা ছিল ময়িসের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিরাপত্তারক্ষীরা বাঁচাবে, আশা ছিল ময়িসের

হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভনেল ময়িস হত্যাকাণ্ডের সময় একমাত্র সাক্ষী ছিলেন স্ত্রী মার্টিন ময়িস। সেদিন রাতে গুলিতে ঝাঁঝরা হওয়া নিথর ময়িসের পাশেই গুরুতর আহত হয়ে পড়ে ছিলেন মার্টিন। ৭ জুলাই ঘটে যাওয়া নির্মম এই হত্যাকাণ্ডে বেঁচে যাওয়া মার্টিন জানান, ওই রাতে প্রেসিডেন্টের বাসভবন কড়া নিরাপত্তায় ঘেরা থাকলেও আততায়ীদের হাত থেকে তাঁদের দুজনকে বাঁচাতে কোনো নিরাপত্তারক্ষীই ছুটে আসেননি। যদিও ময়িস ভেবেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরা হয়তো তাঁকে বাঁচাতে আসবেন।

গত রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ফ্লোরিডায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন মার্টিন। এই হত্যারহস্য উদঘাটনে বিশ্বের কাছে সাহায্য কামনা করেন তিনি।

মার্টিন বলেন, ‘কেউ হত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে, কেউ এর জন্য অর্থ দিয়েছে। তাদের আমরা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছি। আমি চাই, তাদের খুঁজে বের করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সহায়তা করুক।’

মার্টিন জানান, ঘটনার রাতে ১টার দিকে তিনি এবং তাঁর স্বামী বাসভবনের বাইরে গুলির শব্দ শুনেই বুঝতে পারেন, হামলাকারীরা ভেতরে প্রবেশ করেছে। তখন তাঁরা দুজন বিছানার পেছনে লুকিয়ে পড়েন, কিন্তু তখনও কী ঘটছে ময়িস তা বিশ্বাস করতে পারছিলেন না।

মার্টিন বলেন, ‘সে সময় আমিও ভাবিনি তাঁরা আমাদের রুমে ঢুকতে পারবে। কারণ সেখানে ৩০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন।’

তিনি জানান, রুমে ঢুকে আততায়ীরা স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলছিল। তাঁরা একজনকে ফোন করে ময়িসের পরিচয় নিশ্চিত করে। তার পরই একে একে ১২টি গুলি চালিয়ে প্রেসিডেন্টের মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডের পরও বাসভবনের নিরাপত্তারক্ষীদের কোনো খোঁজ মেলেনি এমন অভিযোগ করে মার্টিন বলেন, ‘আমার মনে হয়, নিরাপত্তারক্ষীরা বাঁচাতে আসবেন, এমন আশা নিয়েই প্রেসিডেন্টের মৃত্যু হয়।’ ময়িস হত্যাকাণ্ডে দুজন মার্কিন ও ২৬ কলম্বিয়ার নাগরিকের সংশ্লিষ্টতার কথা জানিয়েছে হাইতির পুলিশ। সূত্র : সিএনএন।