kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

কিছু অভিবাসীকে ফেরত পাঠাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ আগস্ট, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিছু অভিবাসীকে ফেরত পাঠাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন

কিউবা, হাইতিসহ আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা দেওয়া এই অভিবাসীরা এখন কলম্বিয়ার বন্দরনগরী নেকোলিতে আটকা পড়ে আছে। এখান থেকে নৌকায় চড়ে পানামা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যাবে, সেই অপেক্ষায় আছে তারা। ছবি : এএফপি

মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ঢোকা বেশ কিছু পরিবারকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নেতৃত্বাধীন প্রশাসন। গত শুক্রবার থেকে আকাশপথে তাদের পৌঁছে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

গত সোমবার ‘বৈধতাহীন’ অভিবাসীদের পাঠিয়ে দেওয়ার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বাইডেন প্রশাসন।

মেক্সিকো সীমান্তে অবস্থানরত অভিবাসীদের প্রশ্নে বাইডেন প্রশাসন আগে থেকে ‘মেক্সিকোয় থাকুন’ নীতিতে চলছেন। অর্থাৎ বৈধ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত আশ্রয়প্রত্যাশীদের সীমান্তসংলগ্ন মেক্সিকান এলাকায় অবস্থান করতে হবে। এ জন্য সীমান্তে অবস্থানরত মানুষদের নথিভুক্তিও হয়। কিন্তু ‘নথিহীন’ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সংখ্যা আবারও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কায় গত সোমবার মানুষকে সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র।

জানা গেছে, শুধু জুন মাসে মার্কিন কর্তৃপক্ষ ওই সীমান্তে এক-তৃতীয়াংশ আশ্রয়প্রার্থীকে আটক করেছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছিল, জুন মাসে অভিভাবক কিংবা মা-বাবা ছাড়া যেসব শিশু যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকেছে, তাদের ফেরত পাঠানো হবে না বরং পুনর্বাসন করা হবে। এ ধরনের শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১৫ হাজার ২৫৩ জন, যা মে মাসের তুলনায় পরের মাসে ৮ শতাংশ বেড়েছে।

মেক্সিকো সীমান্তে ভিড় করা অভিবাসীরা মূলত মধ্য আমেরিকার ‘নর্দার্ন ট্রায়াঙ্গেল’খ্যাত হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা ও এল সালভাদর থেকে আসা। এর বাইরে দক্ষিণ আমেরিকার ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলা থেকেও আসে অভিবাসীরা।

শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) জানিয়েছে, মধ্য আমেরিকার নর্দার্ন ট্রায়াঙ্গেলের তিন দেশের মানুষকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কতজনকে পাঠানো হচ্ছে, সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ও মধ্য আমেরিকায় সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ওই সীমান্তে অভিবাসীদের স্রোত বেড়েছে। জুুলাই মাসে ডিএইচএস জানিয়েছিল, মেক্সিকো সীমান্তে আগের মাসের তুলনায় জুনে অভিবাসীর সংখ্যা ৪.৫ শতাংশ বেড়েছে। অথচ গ্রীষ্মের এ সময়টায় এই সংখ্যা কমার কথা ছিল।

মেক্সিকো সীমান্তে মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে অভিবাসীদের স্রোত নতুন কোনো বিষয় নয়। অভিবাসীদের চাপ বাড়লে সব মার্কিন প্রশাসন এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়—এ বিষয়টিও নতুন নয়।

ডিএইচএস দাবি করেছে, সীমান্ত সুরক্ষার অংশ হিসেবেই তারা এ পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ছাড়া ‘নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল’ অভিবাসনের নিশ্চয়তার জন্যই এ পদক্ষেপ।

সূত্র : এএফপি।



সাতদিনের সেরা