kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

তিউনিশিয়ায় এবার দুই শীর্ষ কর্মকর্তা বরখাস্ত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৩০ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তিউনিশিয়ায় দুই শীর্ষ কর্মকর্তাসহ আরো কয়েকজনকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদ। গত বুধবার প্রেসিডেন্ট দেশটির সেনাবাহিনীর চিফ প্রসিকিউটর ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ওয়াতানিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজনকে বরখাস্ত করেন। ফলে দেশটিতে এখন রাজনৈতিক অস্থিরতা আরো বাড়ছে।

শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করার পাশাপাশি আইন প্রণেতাদের বিশেষ সুরক্ষা বাতিল করেছেন প্রেসিডেন্ট। দেশটির বিচারিক ক্ষমতাও তিনি নিজের হাতে নিয়েছেন।

সাইদ গত রবিবার তিউনিশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিশেম মেচিচিকে বরখাস্ত করেন এবং পার্লামেন্ট স্থগিত করেন। সোমবার তিনি দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিচারবিষয়ক মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেন। এরপর এসব শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্তের আদেশ দিলেন।

৬৩ বছর বয়সী সাইদের এসব কর্মকাণ্ডে তিউনিশিয়ায় রাজনৈতিক অসন্তোষ চরম আকার ধারণ করেছে। পার্লামেন্ট স্থগিতের পর সরকার সমর্থকরা স্পিকার রাশেদ ঘানৌচির ডাকে রাস্তায় নেমে আসে। প্রেসিডেন্টবিরোধীরা একে সেনা অভ্যুত্থান আখ্যা দিয়েছে।

এদিকে পার্লামেন্ট স্থগিতের ঘোষণায় হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটির নাগরিক সমাজ। এ পদক্ষেপকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে ভবিষ্যতে কী ধরনের রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সে বিষয়ে তারা প্রেসিডেন্টের বিবৃতি চেয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তিউনিশিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর সাইদ সব ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছেন।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। তাঁর যুক্তি, দেশের সংবিধান অনুযায়ী তিনি কোনো অযৌক্তিক কাজ করছেন না। তিউনিশিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, দেশের ‘আসন্ন হুমকি’ মোকাবেলায় রাষ্ট্রপ্রধান যেকোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন। রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার বাইরেও উত্তর আফ্রিকার দেশটিকে আরো কিছু সমস্যা মোকাবেলা করতে হচ্ছে। বর্তমানে দেশটিতে চরম অর্থনৈতিক সংকট চলছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির পাশাপাশি চরম বেকারত্ব দেশটিকে গ্রাস করেছে। কভিড-১৯ মহামারির সঙ্গেও তিউনিশিয়াকে সমানভাবে লড়াই করতে হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদ এর আগে আইনের প্রভাষক ছিলেন।  ২০১৯ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসেন। সূত্র : এএফপি।