kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ আশ্বিন ১৪২৮। ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৩ সফর ১৪৪৩

জাতিসংঘের সতর্কবার্তা

সংঘাতে প্রাণহানির রেকর্ড হতে পারে আফগানিস্তানে

১৬৫৯ বেসামরিক ব্যক্তির প্রাণ গেছে শেষ ছয় মাসে
৪০ শতাংশ মৃত্যুর জন্য তালেবান দায়ী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তালেবানের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে মৃত্যু দেখতে হতে পারে আফগানিস্তানকে। এরই মধ্যে চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তালেবান ও সরকারি সেনাদের লড়াইয়ে দেশটিতে রেকর্ডসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সোমবার জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে আফগানিস্তানে জাতিসংঘের সহায়তা মিশন—ইউএনএএমএ। তাতে বলা হয়েছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে সহিংসতার ঘটনায় সেখানে এক হাজার ৬৫৯ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়সীমার তুলনায় ৪৭ শতাংশ বেশি। আহত হয়েছে তিন হাজার ২৫৪ জন।

আফগানিস্তানে যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা ২০০৯ সাল থেকে প্রকাশ করে আসছে ইউএনএএমএ। এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে গত মে ও জুন মাসে রেকর্ডসংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এই দুই মাসে নিহত হয়েছে ৭৮৩ জন। আহতের সংখ্যা এক হাজার ৬০৯।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৬৪ শতাংশ বেসামরিক মৃত্যুর জন্য সরকারবিরোধী সংগঠনগুলো (তালেবান ৪০ শতাংশ) দায়ী। ২৫ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে সরকারি সেনাদের কারণে। ১১ শতাংশের মৃত্যু হয়েছে ক্রসফায়ারে। নিহতদের মধ্যে ৩২ শতাংশই শিশু।

আফগানিস্তানে নিযুক্ত জাতিসংঘের বিশেষ দূত দেবোরাহ লিয়নস বলেন, ‘সহিংসতার রাশ টানা না গেলে এটা নিশ্চিত যে চলতি বছর আরো বহু মানুষের প্রাণ যাবে।’

মাস দুয়েক আগে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন ও ন্যাটো সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে তালেবানের দৌরাত্ম্য বেড়ে যায়। তালেবানের সঙ্গে সরকারি সেনাদের লড়াইয়ের তীব্রতা বাড়তে থাকে। ধারণা করা হয়, আফগানিস্তানের প্রায় অর্ধেক এলাকা বর্তমানে তালেবানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী শহর ও প্রত্যন্ত এলাকাগুলো পুরো তাদের কবজায় চলে গেছে। সূত্র : বিবিসি, এএফপি।



সাতদিনের সেরা