kalerkantho

রবিবার । ৪ আশ্বিন ১৪২৮। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১১ সফর ১৪৪৩

লকডাউনে ভিয়েতনাম

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



লকডাউনে ভিয়েতনাম

অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন শহরে গতকাল লকডাউনবিরোধী বিক্ষোভ। ছবি : এএফপি

মহামারি পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে লকডাউন জারি করা হয়েছে। গতকাল শনিবার থেকে শহরের ৮০ লাখ নাগরিককে ঘরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত শুক্রবার দেশটিতে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ভিয়েতনামে চলতি সপ্তাহের মধ্যে এটি দৈনিক সংক্রমণের তৃতীয় সর্বোচ্চ রেকর্ড।

হ্যানয়ের বাসিন্দা গুয়েন ভ্যান চিয়েন বলেন, ‘আমার মনে হয় শহরে লকডাউন দেওয়ার হঠাৎ সিদ্ধান্তে আমার মতো অনেকেই একমত। এই মহামারি মোকাবেলায় আমাদের অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিতেই হবে।’

গত বছর করোনার সংক্রমণ রোধে ভিয়েতনাম সফলতা অর্জন করলেও গত এপ্রিল থেকে দেশটিতে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। ফলে ভিয়েতনামের ১০ কোটি জনগণের প্রায় এক-তৃতীয়াংশকে আগেই লকডাউনের আওতায় আনা হয়। দেশটিতে সংক্রমণ কমার হার খুব ধীরগতিতে চলছে। ভিয়েতনামের বাণিজ্যিক শহর হো চি মিনে সম্প্রতি সংক্রমণের মাত্রা রেকর্ড করেছে। শুক্রবার থেকে শহরটিতে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

শহরের বাসিন্দা লি বিচ বলেন, ‘আমি এক মাস ধরে ঘরের মধ্যে আছি। আমাদের শহরের অবস্থা ভয়াবহ।’ পুরো শহর জীবাণুমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে শহরটির কর্তৃপক্ষ। এতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে।

ভিয়েতনামে প্রায় ৪৫ লাখ মানুষকে কভিড-১৯ টিকা দেওয়া হয়েছে। আগামী বছরের শুরুতে দেশটি হার্ড ইমিউনিটির স্তরে পৌঁছবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় লকডাউনবিরোধী বিক্ষোভকালে আটক ৫৭

এদিকে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে অস্ট্রেলিয়া সরকারের জারি করা কঠোর বিধি-নিষেধ তুলে নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছে হাজারো নাগরিক। গতকাল সিডনির পাশাপাশি মেলবোর্ন ও ব্রিসবেন শহরে হাজারো মানুষ সড়কে বিক্ষোভ করে। এ সময় পুলিশ ৫৭ জনকে আটক করে।

অস্ট্রেলিয়ায় করোনার ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়ায় সংক্রমণের হার বেড়ে গেছে। ফলে আবারও দেশটিতে কঠোর বিধি-নিষেধ জারি করা হয়। এর আওতায় দেশটির প্রায় এক কোটি ৩০ লাখ মানুষ রয়েছে। টানা চার সপ্তাহ সিডনি শহরের লকডাউনে বাসিন্দাদের চলাফেরা সীমিত হলেও সেখানে সংক্রমণ বেড়েই চলেছে।

অস্ট্রেলিয়ায় করোনার সবচেয়ে ভয়াবহ থাবা পড়েছে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে। গতকাল সেখানে সর্বোচ্চ ১৬৩ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংকট মোকাবেলায় অন্য রাজ্য থেকে সেখানে টিকা পাঠানোর আহবান জানিয়েছেন নিউ সাউথ ওয়েলসের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্রাড হ্যাজার্ড। উন্নত এই দেশে টিকা দেওয়ার হার ১৪ শতাংশেরও কম। সূত্র : বিবিসি, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।