kalerkantho

রবিবার । ১১ আশ্বিন ১৪২৮। ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৮ সফর ১৪৪৩

ডেল্টায় ৯৯% মৃত্যু ঠেকাচ্ছে টিকা

ভারতে গবেষণা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৮ জুলাই, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডেল্টায় ৯৯% মৃত্যু ঠেকাচ্ছে টিকা

করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক ধরন ডেল্টার ক্ষেত্রে মৃত্যু ঠেকাতে টিকা ৯৯ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাচ্ছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। টিকা গ্রহণকারীদের সংক্রমণ ও মৃত্যু নিয়ে মহামারিকালে প্রতিবেশী দেশটিতে সবচেয়ে বড় গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। পুনেভিত্তিক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজির (এনআইভি) গবেষকরা গতকাল শনিবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

গবেষকরা যেসব নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সির ভিত্তিতে ফলাফল পেয়েছেন, তাতে করোনাভাইরাসের আলফা, কাপ্পা, ডেল্টার সঙ্গে ডেল্টা প্লাস নমুনাও আছে। প্রকাশিতব্য এই গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, ভারতে সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের মূল কারণ হচ্ছে ডেল্টা, যে ধরনটি ২০২০ সালের অক্টোবরে ভারতে প্রথম শনাক্ত হয়েছিল।

গত বছর করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর পরিস্থিতি সামলে বেশ স্বস্তিতে ছিল ভারত। তবে ডেল্টা ধরনের কারণে গত এপ্রিলে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নজিরবিহীনভাবে বেড়ে গেলে পর্যুদস্ত হয়ে পড়ে দেশটি। এরপর ভারত টিকাদানে গুরুত্ব বাড়ায়, নিজেদের চাহিদা মেটাতে কভিড টিকা রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞাও দেয়।

এনআইভির গবেষক ড. প্রজ্ঞা যাদব বলেন, ‘গবেষণায় যে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি আমরা দেখতে পেয়েছি, তা হলো মৃত্যু ঠেকাতে টিকা ৯৯ শতাংশ কার্যকারিতা দেখাচ্ছে, এমনকি তা অতিসংক্রমণশীল ডেল্টার দাপটের মধ্যেই।’

গবেষণার জন্য গত মার্চ থেকে জুনের মধ্যে মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক, পশ্চিম বাংলাসহ বিভিন্ন রাজ্য থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই সব নমুনার জিন বিশ্লেষণ করা হয়। ড. যাদব বলেন, ‘গবেষণায় দেখা গেছে, বেশির ভাগই ডেল্টা ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত। তাদের মাত্র ৯ শতাংশকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে মাত্র ০.৪ শতাংশের।’

এই গবেষণায় তুলনামূলক কম বয়সীদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গতকাল পর্যন্ত চার কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ ১৩৮ কোটি মানুষের দেশ ভারতে দুই কোটির মতো মানুষ টিকার অন্তত একটি ডোজ পেয়েছে।

‘করোনার উৎস জানতে চীনের ল্যাবগুলো অডিট করতে হবে’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) গত শুক্রবার বলেছে, করোনাভাইরাসের উৎস সম্পর্কে তদন্তের দ্বিতীয় পর্যায়ে চীনে আরো গবেষণা এবং ল্যাব ‘অডিট’ অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সদস্য দেশগুলোর রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ডাব্লিউএইচও প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেন, তদন্তের অন্যতম অগ্রাধিকার হওয়া উচিত ল্যাব ‘অডিট’। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে প্রথম মানবদেহে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া এলাকার সংশ্লিষ্ট ল্যাবরেটরি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্যই ‘অডিট’ করতে হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া, এএফপি।



সাতদিনের সেরা