kalerkantho

শুক্রবার । ৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৩ জুলাই ২০২১। ১২ জিলহজ ১৪৪২

ফের রাজ্যের মর্যাদা পাবে জম্মু-কাশ্মীর?

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জম্মু ও কাশ্মীরকে ফের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে ফের জল্পনা শুরু হয়েছে ভারতের রাজনীতিতে। কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী বৃহস্পতিবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকায় এ জল্পনা শুরু হয়েছে। বৈঠকে ডাক পেয়েছেন কাশ্মীরের নেতারাও।

জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তথা পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির (পিডিপি) সভানেত্রী মেহবুবা মুফতি গতকাল শনিবার এ কথা জানিয়ে বলেন, ‘বৈঠকের জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছি এবং আমরা বিষয়টি বিবেচনা করছি।’

গত ফেব্রুয়ারিতে লোকসভায় ‘জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন (সংশোধন) বিল’ পেশের সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, ‘যখন কাশ্মীর বিভক্ত করা হয়েছিল, তখন কোথাও লেখা ছিল না যে ভূস্বর্গ রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাবে না। সঠিক সময়ে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে জম্মু ও কাশ্মীরকে।’ এর পরেই জল্পনা দানা বাঁধে, উপত্যকায় শান্তি ফেরাতে কৌশল বদলাতে পারে কেন্দ্র।

চলতি মাসে কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহ পাকিস্তানের একটি সংবাদমাধ্যমকে জানান, আগামী নির্বাচনে কংগ্রেস যদি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে, অনুচ্ছেদ ৩৭০ বিলোপের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হবে। এরপর বিজেপির তরফে কংগ্রেসের সঙ্গে পাকিস্তানের গোপন আঁতাতের অভিযোগ তোলা হয়। যদিও জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আব্দুল্লাহ দিগ্বিজয়ের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের অগস্টে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপ করে জন্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্গঠন আইনে লাদাখ এবং জম্মু ও কাশ্মীর নামে দুরটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়া হয়। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।



সাতদিনের সেরা