kalerkantho

শুক্রবার । ৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৩ জুলাই ২০২১। ১২ জিলহজ ১৪৪২

বিশ্ব শরণার্থী দিবস

শরণার্থীদের ৭০ শতাংশ মাত্র পাঁচ দেশের

করোনা মহামারিতে স্থবির বিশ্বেও গত বছর ১১ লাখ লোক শরণার্থী হওয়ার আবেদন জানায়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আজ রবিবার বিশ্ব শরণার্থী দিবস। বিশ্বজুড়ে শরণার্থীদের সাহস ও ধৈর্যের প্রতি সম্মান জানাতে দিবসটি পালন করা হয়। সংঘাত ও অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং বেঁচে থাকার তাগিদে নিজ বাড়িঘর ও দেশ ছেড়ে শরণার্থীরা অন্যত্র পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। তাদের এ শক্তি ও সাহস উদযাপন করতে জাতিসংঘ আজকের দিনটিকে তাদের জন্য উৎসর্গ করে। বিশ্ব শরণার্থী দিবসটি শরণার্থীদের দুর্দশার প্রতি সহমর্মিতা তৈরির দিন; এ দিবস তাদের জীবন পুনর্গঠনের চেষ্টাকে বোঝার দিন। এ দিনটি সবার কাছে শরণার্থীদের অধিকার, প্রয়োজন ও স্বপ্নের দিন হিসেবে পরিচিত।

বিশ্ব শরণার্থী দিবসে তাদের নিয়ে পাঁচটি তথ্য তুলে ধরা হলো :

শরণার্থী আসলে কারা?

সাধারণত নির্যাতন, যুদ্ধ বা সহিংসতার হাত থেকে বাঁচতে নিজ দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হওয়া মানুষকে শরণার্থী বা উদ্বাস্তু বলা হয়। জাতিসংঘের মতে, কোনো ব্যক্তির বর্ণ, ধর্ম, জাতীয়তা, নির্দিষ্ট কোনো সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্যপদ থাকা অথবা রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকার কারণে যদি তার ওপর নির্যাতনের সমূহ সম্ভাবনা থাকে, তবে নিজ বাড়ি ও দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া সেসব নাগরিক শরণার্থী হিসেবে গণ্য হবে।

বিশ্বজুড়ে কতজন শরণার্থী রয়েছে?

গত বছরের শেষ পর্যন্ত পাওয়া জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, লড়াই, সংঘাত, সহিংসতা বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো ঘটনার শিকার হয়ে বিশ্বে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আট কোটি ২৪ লাখ। কভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে বাস্তুচ্যুত হওয়া মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমলেও শুধু গত বছরেই এ সংখ্যা ছিল ১১ লাখ।

শরণার্থীশিবির

বিশ্বজুড়ে শরণার্থীশিবিরগুলোতে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ বসবাস করছে। এ শিবিরগুলোতে তাদের স্থায়ী কোনো সমাধান দেওয়া সম্ভব না হলেও খাদ্য, পানি, আশ্রয় ও চিকিৎসার মতো মৌলিক কিছু চাহিদা সাময়িকভাবে পূরণের চেষ্টা করা হয়।

কোন দেশে সর্বোচ্চসংখ্যক শরণার্থী রয়েছে?

বর্তমানে একক দেশ হিসেবে তুরস্ক সর্বোচ্চ ৩৬ লাখ উদ্বাস্তুকে জায়গা দিয়েছে। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ লাখ শরণার্থীর আশ্রয়স্থল হলো কলম্বিয়া।

কোন কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চসংখ্যক শরণার্থী এসেছে?

বিশ্বের মোট শরণার্থীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি অর্থাৎ প্রায় ৭০ শতাংশ এসেছে মাত্র পাঁচটি দেশ থেকে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) হিসাব মতে ওই দেশগুলো হলো সিরিয়া, ভেনিজুয়েলা, আফগানিস্তান, দক্ষিণ সুদান ও মিয়ানমার। সংস্থাটির মতে, সিরিয়ার শরণার্থীসংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৬৬ লাখ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা ভেনিজুয়েলার শরণার্থীসংখ্যা ৩৭ লাখ। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান। দেশটির মোট শরণার্থীসংখ্যা ২৭ লাখ। এদিকে দক্ষিণ সুদান তৈরি করেছে ২৩ লাখ শরণার্থী এবং সম্প্রতি মিয়ানমারের ১০ লাখ শরণার্থীর হিসাব নথিভুক্ত করেছে সংস্থাটি। সূত্র : এনডিটিভি।



সাতদিনের সেরা