kalerkantho

সোমবার । ১৮ শ্রাবণ ১৪২৮। ২ আগস্ট ২০২১। ২২ জিলহজ ১৪৪২

অস্ত্রবিরতি ভেঙে আবার গাজায় হামলা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইসরায়েলে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটির সেনাবাহিনী দ্বিতীয় দফায় গাজায় হামলা চালিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতভর গাজায় চলে ইসরায়েলের বিমান হামলা।

ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আগের মতোই। তাদের অপরাধ, তারা ইসরায়েলের ভেতর ‘বিস্ফোরক বেলুন’ পাঠিয়েছে। এর জবাবে চলে বিমান হামলা।

বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর টানা এক যুগের শাসনের অবসান ঘটিয়ে গত রবিবার ইসরায়েলের শাসনভার নেয় নতুন সরকার। নতুন এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী নাফাতালি বেনেত। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এ নিয়ে গাজায় দুইবার বিমান হামলা করল ইসরায়েল। হামলার উদ্দেশ্যে নতুন সরকারের অধীনে সামরিক বাহিনীর প্রধান আভিব কোহাভি গত বৃহস্পতিবার সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা বাড়াতে আরো সেনা মোতায়েনের আদেশ দেন।

গত ২১ মে ইসরায়েল সামরিক বাহিনী ও গাজার হামাস নেতাদের সমঝোতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়। গাজায় বন্ধ হয় ইসরায়েলিদের ১১ দিনের ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ, কিন্তু এ যুদ্ধবিরতি ভেস্তে যায় গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলার মধ্য দিয়ে।

গত মঙ্গলবার গাজা থেকে ওই অগ্নিসংযোগকারী বেলুন ওড়ানো হলে ইসরায়েল বুধবারই গাজায় বিমান হামলা শুরু করে। সেই হামলা গত বৃহস্পতিবার ফের শুরু হয়ে গতকাল পর্যন্ত চলে।

ইসরায়েলি সেনারা এক বিবৃতিতে জানায়, গাজা থেকে ইসরায়েলি এলাকায় অগ্নিসংযোগকারী বেলুন পাঠানো হয়। এর জবাবে ইসরায়েলি বাহিনী হামাস নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে বিমান হামলা চালায়, পাশাপাশি ক্ষেপণাস্ত্রও কাজে লাগানো হয়। এদিকে ইসরায়েলকে সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। তিনি জানান, তিনি ইসরায়েলের নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়েইর লাপিদের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারে কথা বলেছেন। তিনি তাঁর টুইটার অ্যাকাউন্টেও ইসরায়েলকে সহযোগিতার ব্যাপারে বলেছেন।

ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে সেখানে অবস্থানকারী এএফপির সাংবাদিকরা জানান, তাঁরা বিস্ফোরণের আওয়াজ শুনেছেন। তাঁরা বলেন, গাজার দক্ষিণাঞ্চলে গাজা সিটি ও খান ইউনিস এলাকায় সামরিক বাহিনী আক্রমণ চালিয়েছে। এর পরপরই হামাসের সামরিক বাহিনী ভারী অস্ত্র ইসরায়েলের দিকে তাক করে গোলাবর্ষণ শুরু করে। সে সময় ইসরায়েলি ভূখণ্ডেও বিমান হামলার সতর্ককারী সাইরেন বেজে ওঠে।

তবে গাজা থেকে অগ্নিসংযোগকারী বেলুন ওড়ানো এখনো বন্ধ হয়নি। এ বেলুনগুলো ক্ষেতখামার ও জঙ্গলবেষ্টিত এলাকায় অগ্নিসংযোগের কাজে ব্যবহার করা হয়। তৃতীয় দিনের মতোই গাজায় অবস্থানকারী ফিলিস্তিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা ওই বেলুন ওড়াচ্ছে। সূত্র : এএফপি।



সাতদিনের সেরা