kalerkantho

বুধবার । ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৮ জুলাই ২০২১। ১৭ জিলহজ ১৪৪২

মিয়ানমারের জান্তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের আহবান

আরেক মামলায় সু চির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও কার্যকর’ পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান  জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত দেশটির দূত কিয়া মোয়ে তুন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক সামনে রেখে এই আহবান  জানালেন তিনি।

এদিকে করোনাসংক্রান্ত স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দেশটির ক্ষমতাচ্যুত নেতা অং সান সু চির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। গতকাল প্রথম দিন বাদীপক্ষের (জান্তা সরকার) সাক্ষ্য নেওয়া হয়। রাষ্ট্রদ্রোহের আরেকটি মামলার সাক্ষ্যগ্রহণও শিগগির শুরু হবে। এসব মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলে ৭৫ বছর বয়সী সু চির অন্তত ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

বিক্ষোভকারী ও জান্তা সরকারের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে আসিয়ান। দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক এই জোটের দুই প্রতিনিধি চলতি মাসের শুরুতে জান্তা সরকারের প্রধান মিন অং লায়িংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এদের মধ্যে ব্রুনেইয়ের পররাষ্ট্রবিষয়ক সেকেন্ড মিনিস্টার ইরিওয়ান পেহিন ইউসোফও ছিলেন। তবে জান্তা সরকার এই দুই প্রতিনিধিকে মিয়ানমারের ছায়া সরকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দেয়নি।

মিয়ানমার ইস্যুতে এর আগে একাধিকবার বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। কিন্তু চীনের বিরোধিতায় তা ভেস্তে যায়। এর মধ্যে আগামী শুক্রবার রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসার কথা রয়েছে নিরাপত্তা পরিষদের। সেখানে ব্রুনেইয়ের পররাষ্ট্রবিষয়ক সেকেন্ড মিনিস্টার ইরিওয়ান পেহিন ইউসোফের বক্তব্য শোনা হবে।

এ অবস্থায় জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান  জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে গত ২৮ মে একটি চিঠি পাঠান জাতিসংঘে নিযুক্ত মিয়ানমারের দূত কিয়া মোয়ে তুন। তবে ওই চিঠি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসে গতকাল। সেখানে মোয়ে তুন বলেছেন, ‘জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ ধরনের পদক্ষেপ না নিলে সামরিক বাহিনী ভবিষ্যতে এ ধরনের অভ্যুত্থানে আরো উৎসাহ পাবে।’

সূত্র : এএফপি।