kalerkantho

শনিবার । ৯ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৪ জুলাই ২০২১। ১৩ জিলহজ ১৪৪২

সংক্ষিপ্ত

অভ্যুত্থানে সৌদির সহায়তা চেয়েছিলেন জর্দানের প্রিন্স

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জর্দানের প্রিন্স হামজা বিন হুসেন দেশটিতে অভ্যুত্থান সংঘটনের জন্য সৌদি আরবের সহায়তা আশা করছিলেন। জর্দানকে অস্থিতিশীল করে তোলার অভিযোগে করা মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে দাখিল করা অভিযোগপত্রে এ কথা বলা হয়েছে। আদালতের ওই অভিযোগপত্র রবিবার প্রকাশ করা হয়। ওই দুজন হামজার সহযোগী ছিলেন। অভিযোগের বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, সৌদি আরবের সমর্থন নিয়ে জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহকে ক্ষমতাচ্যুত করার আশা করছিলেন প্রিন্স হামজা। এই দুই আসামি হলেন জর্দানের রাজকীয় আদালতের সাবেক প্রধান বাসেম আওদাল্লাহ ও দেশটির সাবেক বিশেষ দূত শরিফ হাসান বিন জায়েদ। প্রতিবেশী সৌদি আরবের সঙ্গে উভয় আসামির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে বলে খবরে বলা হয়। বাসেমের সৌদির নাগরিকত্ব আছে। তাঁকে সৌদি আরবের কার্যত শাসক যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়। অন্যদিকে শরিফ সৌদি আরবে জর্দানের বিশেষ দূত ছিলেন। বাসেম ও শরিফ উভয়ে জর্দানের স্টেট সিকিউরিটি কোর্টে বিচারের মুখোমুখি। বিচারে তাঁরা দোষী সাব্যস্ত হলে তাঁদের সর্বোচ্চ ২০ বছর করে কারাদণ্ড হতে পারে। জর্দানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সত্ভাই হামজা। গত এপ্রিলে জর্দানকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে হামজার জড়িত থাকার অভিযোগ ওঠে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেন হামজা। অভিযোগের জেরে হামজাকে আর বিচারের মুখোমুখি করা হচ্ছে না। জর্দানের কর্তৃপক্ষ পরে জানায়, হামজার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি রাজপরিবারের ভেতরেই পারিবারিকভাবে সুরাহা করা হয়েছে। জর্দানকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে কোনোভাবে জড়িত থাকার অভিযোগ দৃঢ়তার সঙ্গে অস্বীকার করেছে সৌদি আরব।

সূত্র : এনডিটিভি।