kalerkantho

রবিবার । ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮। ১ আগস্ট ২০২১। ২১ জিলহজ ১৪৪২

পরস্পরের প্রশংসায় মমতা-মুকুল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১২ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পরস্পরের প্রশংসায় মমতা-মুকুল

ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে সামনে এগোচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন দলের নবনিযুক্ত সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলে ফিরে সেই লক্ষ্যকেই যেন আরো স্পষ্ট করলেন মুকুল রায়।

গতকাল শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে মুকুল বলেন, ‘বাংলাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবেন আমাদের নেত্রী, ভারতের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ মুকুল সম্পর্কেও নিজের মূল্যায়ন স্পষ্ট করেছেন মমতা। সংবাদ সম্মেলনে তিনি মুকুল সম্পর্কে বলেন, ‘ওল্ড ইজ অলওয়েজ গোল্ড।’ তৃণমূল নেত্রী আরো বলেন, ‘মুকুল আগে দলে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতেন, এখনো তা-ই করবেন।’ একটা সময় তৃণমূলকে সর্বভারতীয় চেহারা দিতে বড় ভূমিকা রেখেছেন মুকুল।

প্রায় সাড়ে তিন বছর ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) ছিলেন মুকুল। এর আগে বেশ কিছুদিন ধরে তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল তাঁর। অবশেষে তৃণমূলে ফিরে মুকুল গতকাল বলেন, ‘বিজেপি থেকে বেরিয়ে এখানে এসে খুব ভালো লাগছে। পুরনোদের সঙ্গে দেখা হলো।’ তবে কেন তিনি বিজেপি ছাড়লেন, তা নিয়ে খুব বেশি কিছু বলেননি এই প্রবীণ নেতা। শুধু বলেন, ‘বিজেপি করতে পারলাম না। করব না। তাই পুরনো দলে ফিরে এলাম। বাকি বিস্তারিত কারণ লিখিতভাবে জানাব।’

সেই লিখিত বিবৃতি কবে সামনে আনবেন সে সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত দেননি মুকুল। তৃণমূল ভবনে মুকুলকে সামনে পেয়ে একনাগাড়ে প্রশ্ন করা শুরু করে সংবাদমাধ্যমের একাংশ। কিন্তু শুরুতেই ‘ঘরের ছেলে’ আখ্যা দিয়ে তাঁকে অনেকটাই প্রশ্নবাণ থেকে আগলে রাখেন মমতা। অনেক প্রশ্নের উত্তর নেত্রী নিজেই দিতে শুরু করেন। নারদ এবং সারদাকাণ্ডের তদন্ত সম্পর্কিত প্রশ্নে মমতাই উত্তর দিয়ে বলেন, ‘মুকুলকে অনেক চমকে-ধমকে এজেন্সির ভয় দেখিয়ে রেখেছিল।’ অথচ নারদকাণ্ডে শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কিত প্রশ্ন উঠতেই মমতা বলে দেন, সংবাদ সম্মেলন শেষ। মুকুল বিজেপিতে যাওয়ার পরে অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে গেরুয়া শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। মুকুলের পথ ধরে এবার তাঁরাও ফিরবেন কি না, এমন প্রশ্ন উঠেছে। সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা।



সাতদিনের সেরা