kalerkantho

রবিবার। ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮। ১৬ মে ২০২১। ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়াল ভারত

এক দিনে মৃত্যু দুই হাজারের বেশি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সংক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রকেও ছাড়াল ভারত

ভারতের দৈনিক করোনাভাইরাস সংক্রমণ দুই লাখ ৯৫ হাজারে পৌঁছে গেছে। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা শুধু ভারতে নয়, বিশ্বেও সর্বোচ্চ।

এ বছর ৮ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রে এক দিনে আক্রান্ত হয়েছিল সর্বোচ্চ দুই লাখ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। কোনো দেশে এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা এত দিন সর্বোচ্চ ছিল। সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে গতকাল নতুন রেকর্ড হয়েছে ভারতে। গতকাল দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে দুই লাখ ৯৫ হাজার ৪১ জন। এ নিয়ে ভারতে মোট আক্রান্ত হলো এক কোটি ৫৬ লাখ ১৬ হাজার ১৩০ জন।

এ ছাড়া করোনায় দৈনিক মৃত্যুর নিরিখেও ভারতে গতকাল তৈরি হয়েছে নতুন রের্কড। দেশটিতে এই প্রথম এক দিনে মৃত্যু দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে। সর্বশেষ হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে দুই হাজার ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভারতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ৮২ হাজার ৫৫৩ জনে।

বিপুল পরিমাণ দৈনিক আক্রান্তের জেরে ভারতে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সক্রিয় রোগী বেড়েছে এক লাখ ২৫ হাজার ৫৬১। এখন ভারতে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৩৮ জন। যদিও এ বছর ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে দেশটিতে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নেমেছিল দেড় লাখের নিচে। এরপর বাড়তে বাড়তে এই পরিস্থিতিতে এসে ঠেকেছে। এর জেরে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোয় রোগীদের সেবা দেওয়ার পরিসর ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে হচ্ছে।

অক্সিজেন সংকটে দিল্লি, মহারাষ্ট্রে ২২ রোগীর মৃত্যু : করোনা সংক্রমণ নিয়ে বেসামাল অবস্থার মধ্যে আক্রান্তদের শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় জরুরি উপাদান অক্সিজেনের মারাত্মক ঘাটতিতে পড়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। মহারাষ্ট্রের নাসিকে একটি হাসপাতালের অক্সিজেন ট্যাংকে ফুটো হয়ে সরবরাহ আধাঘণ্টা বন্ধ থাকায় অন্তত ২২ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল বুধবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া বলেছেন, রাজধানীর বড় সরকারি হাসপাতালগুলোর অক্সিজেন মজুদ দিয়ে আট থেকে সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সেবা কার্যক্রম চলতে পারে। কিছু বেসরকারি হাপতালের মজুদের পরিমাণ মাত্র চার থেকে পাঁচ ঘণ্টার মতো। ‘কাল (বৃহস্পতিবার) সকালের মধ্যে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পেলে একটা বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারে’। সূত্র : এএফপি, আনন্দবাজার পত্রিকা।