kalerkantho

রবিবার । ২৬ বৈশাখ ১৪২৮। ৯ মে ২০২১। ২৬ রমজান ১৪৪২

সংক্ষিপ্ত

কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদ গ্রেপ্তার ৪০

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কৃষ্ণাঙ্গ হত্যার প্রতিবাদ গ্রেপ্তার ৪০

মিনিয়াপোলিসে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ। গতকাল তোলা। ছবি : এএফপি

পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গের মৃত্যুতে আবারও আন্দোলনের ফুঁসে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনে ৪০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আন্দোলনকারীরা কারফিউ ভেঙেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে। আন্দোলনকারীদের নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কাদানে গ্যাস এবং শব্দ বোমা ছুড়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, পুলিশ ভুলে গুলি চালিয়েছে এবং সেই ছোড়া গুলিতে নিহত হয়েছেন ২০ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ডন্ট রাইট। জর্জ ফ্লয়েড হত্যার বিচার চলাকালীন সময়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটায় আন্দোলনকারীরা আরো বেশি ফুঁসে উঠেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফ্লয়েডকে হত্যার দায়ে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক শভিনকে মামলার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে।

অন্যদিকে রাইটকে যে পুলিশ কর্মকর্তা গুলি করেছেন তাঁর পরিচয় জানা গেছে। ৪৮ বছর বয়সী নারী পুলিশ কর্মকর্তা কিম পটার ২৬ বছর ধরে ব্রুকলিন কেন্দ্রীয় পুলিশের জন্য কাজ করছেন। গত রবিবার কিম যানবাহন নীতি ভঙ্গ করার দায়ে রাইটকে আটক করেন। কিন্তু রাইটের সঙ্গে ব্যাপারটি নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় এবং রাইট নিজের গাড়িতে ফিরে যেতে চান। সে সময় কিম তাঁকে ভয় দেখানোর জন্য বন্দুক তাক করলে ভুলক্রমে গুলি বের হয়ে যায় বলে জানা যায়।

তা ছাড়া কারফিউর সময় বাড়ানোসহ আরো চারটি কাউন্টিকে কারফিউর আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং আইন আরো কঠোর করা হয়েছে। একটি ব্রিফিংয়ে মিনোসোটার স্টেট প্যাট্রল কর্নেল ম্যাট লেঞ্জার জানান, তাঁরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন আন্দোলনকারীদের সহিংসতা থেকে নিজেদের বাঁচাতে। আন্দোলনকারীরা আতশবাজি ধরনের জিনিসসহ বহু কিছু দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তা ছাড়া এই বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে মিনিয়াপলিস ও সেন্ট পলের কিছু এলাকায় লুটের ঘটনাও ঘটছে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জো বাইডেন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলন গ্রহণযোগ্য, কিন্তু আমি সবাইকে পরিষ্কার করে দিতে চাই, বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে যারা লুট করছে তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে ব্রুকলিনের মেয়র মাইক এলিয়ট টুইট বার্তায় বলেন, শহর এখন শান্ত এবং তিনি রাইটের বাবার সঙ্গে কথা বলেছেন ও আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা সঠিক বিচার পাবেন। সূত্র : বিবিসি।



সাতদিনের সেরা