kalerkantho

রবিবার । ৬ আষাঢ় ১৪২৮। ২০ জুন ২০২১। ৮ জিলকদ ১৪৪২

সংক্ষিপ্ত

মমতার অভিযোগ খারিজ করল নির্বাচন কমিশন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ এপ্রিল, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নন্দীগ্রামের ভোট নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সব অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ১ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের কোনো বুথেই ভোট কারচুপির কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফার ভোটে নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথে ভোট কারচুপি হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী অসহযোগিতা করেছে—এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। মোট ৬৩টি অভিযোগ করেছিলেন তিনি। তাঁর সেই অভিযোগের জবাবে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বয়ালের বুথের নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় জোয়ানদের দুর্ব্যবহারের কোনো প্রমাণ মেলেনি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ভোটারদের বুথে ঢুকতে না দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা একদমই সত্য নয়। বুথের ভেতরে কিংবা বুথের বাইরে কোথাও বহিরাগত বা বন্দুক দেখিয়ে গুণ্ডাদের বুথ দখলের কোনো অভিযোগ নেই। কমিশন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে। এ প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, নির্বাচন কমিশন তো বলবেই যে কোনো ভোট কারচুপি হয়নি। কারণ কমিশন তো কেন্দ্রীয় সরকার তথা বিজেপির পরামর্শে কাজ করছে। তাই কমিশন এ ধরনের সিদ্ধান্তই নেবে। সেদিন নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বয়ালে বুথের ভেতর আটকে রেখে যে হেনস্তা করা হয়েছিল তা বাংলার মানুষ দেখেছে। তাই বাংলার মানুষ বিজেপিকে ভোটে হারিয়ে এর যোগ্য জবাব দেবে। আর বিজেপি নেতৃত্ব এ বিষয়ে বলে, তৃণমূল এবারের ভোটে নন্দীগ্রামসহ রাজ্যের সর্বত্রই হারবে, তাই এখন মিথ্যা নাটক করছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা। এসব নাটক করে লাভ নেই। তৃণমূলের নাটক কমিশনে ধরা পড়ে গেছে। রাজ্যে বাকি ছয় দফার ভোটে তৃণমূলের আরো শোচনীয় অবস্থা হবে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কমিশন যেভাবে তথ্য-প্রমাণ দিয়ে মমতার তোলা সব অভিযোগ খারিজ করেছে, তা ভোটের মুখে তৃণমূলকে যথেষ্ট বিপাকে ফেলবে। একুশের ভোটে তৃণমূল-বিজেপির হাই ভোল্টেজ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কে জয়ী হয় সেটিই দেখার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল।