kalerkantho

বুধবার । ১ বৈশাখ ১৪২৮। ১৪ এপ্রিল ২০২১। ১ রমজান ১৪৪২

আস্থা ভোটে জয় পেলেন ইমরান

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আস্থা ভোটে জয় পেলেন ইমরান

সিনেট নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ একটি আসন হারিয়ে দলের শক্তি প্রমাণে যে আস্থা ভোট ডেকেছিলেন, তাতে জয় পেয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।

বিরোধীদের বয়কট সত্ত্বেও গতকাল শনিবার পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিশ্চিত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। সিনেটে অর্থমন্ত্রীর হারের পরও শেষ পর্যন্ত জয় পেলেন তিনি। ৩৪২ সদস্যের পার্লামেন্টে ইমরানের পক্ষে গেছে ১৭৮টি ভোট। সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের জন্য তাঁর প্রয়োজন ছিল ১৭২টি ভোট।

আস্থা ভোট নিয়ে প্রথম থেকেই আশাবাদী ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। হারলে পদত্যাগ করতে তাঁর যে কোনো আপত্তি নেই, সে কথাও জানিয়েছিলেন।

গত বুধবার ৯৬ আসনবিশিষ্ট সিনেটের ৪৮টি আসনে নির্বাচন হয়। যেখানে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদের নিম্নকক্ষের সদস্যরা ভোট দেন। নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসে ইমরান খানের তেহরিক-ই-ইনসাফ। তবে ইসলামাবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে দলের প্রার্থী তথা অর্থমন্ত্রী আব্দুল হাফিজ শেখ পরাজিত হন। ওই আসনে জয়ী হন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থী এবং পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি। ভোটের ফলাফল দাঁড়ায় ১৬৯-১৬৪। এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, গোপন ব্যালটের এই নির্বাচনে ইমরানের দলের অনেকেই তাঁদের প্রার্থীকে ভোট না দিয়ে গিলানিকে জয়ী করেছেন।

ফলাফল ঘোষণার পর পিটিআই নেতা ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি ইসলামাবাদে সংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিরোধী দল অনৈতিকভাবে ভোট কিনে নিয়েছে।’ এর পরই ইমরান খান আস্থা ভোটের সিদ্ধান্ত নেন। সিনেটে অর্থমন্ত্রীর পরাজয়ের পরদিন গত বৃহস্পতিবার মাহমুদ কুরেশি সংবাদ সম্মেলনে জানান, আস্থা ভোট করতে চান প্রধানমন্ত্রী ইমরান। এ সিদ্ধান্ত আসার পর পর্যবেক্ষকদের অভিমত ছিল, সিনেটে অর্থমন্ত্রীর পরাজয় ঘটলেও পার্লামেন্টে পিটিআইর শক্তি যে ফুরিয়ে যায়নি, সেটা প্রমাণেই আস্থা ভোট ডাকেন ইমরান। প্রধানমন্ত্রীর সেই আত্মবিশ্বাস গতকাল প্রমাণও হয়ে গেছে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য