kalerkantho

শুক্রবার । ৩ বৈশাখ ১৪২৮। ১৬ এপ্রিল ২০২১। ৩ রমজান ১৪৪২

আস্থা ভোট ডেকেছেন ইমরান

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ মার্চ, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আস্থা ভোট ডেকেছেন ইমরান

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) সিনেট নির্বাচনে একটি আসন হারানোর পর নিজেদের শক্তি প্রমাণে পার্লামেন্টে আস্থা ভোট করতে চলেছেন দলটির নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। আগামীকাল শনিবার এই আস্থা ভোট হবে।

সম্প্রতি সিনেটের ভোটে পরাস্ত হন পাকিস্তান সরকারের অর্থমন্ত্রী। সিনেটে অর্থমন্ত্রী আব্দুল হাফিজ শেখের পরাজয় শাসকদলকে অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দেয়। এই আসনে জয় পান ইউসুফ রাজা গিলানি।

সেই পরাজয়ের পরেই নিম্নকক্ষে আস্থা ভোটের পথে হেঁটে নিজের ও তাঁর দলের শক্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন ইমরান, এমনটা মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। তাঁদের মতে, ক্ষমতায় আসার তিন বছরের মধ্যে প্রথমবার কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে চলেছে ইমরান সরকার। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে এবার সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে শাসক দল পিটিআইকে।

কিন্তু উচ্চকক্ষে মাত্র একটি আসনে পরাস্ত হওয়ার পর কেন নিম্নকক্ষের আস্থা ভোটের পথে হাঁটতে চাইছেন ইমরান, সে সম্পর্কে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহম্মদ কুরেশি বলেন, ‘শক্তিশালী পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদের দ্বারা সিনেটের ভোট নির্ধারিত হয়। পার্লামেন্টে ইমরান সরকার যে এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী, সেটা নতুন করে প্রমাণ করার জন্যই এই আস্থা ভোটের পথে হাঁটতে চাইছে সরকার। সরকারপক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ভোট হলে ৩৪২ সদস্যের নিম্নকক্ষের বেশির ভাগ ভোটই পাবেন ইমরান।’

সিনেটের ভোটে এক অবাক করা ফল দেখেছে পাকিস্তান। সেখানে দেখা গিয়েছে, অর্থমন্ত্রী পান ১৬৪টি ভোট, অন্যদিকে ১১টি বিরোধী দলের সম্মিলিত প্রার্থী গিলানি পান ১৬৯টি ভোট। সাতটি ভোট বাতিল করা হয়। সংসদের নিম্নকক্ষে এত দিন ইমরান খানের সমর্থনে ১৮০ জন ছিলেন বলেই খবর ছিল, কিন্তু উচ্চকক্ষের এই ফলাফলে নিম্নকক্ষে হিসাবটা বর্তমানে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

অবশ্য সব আসনের ফল প্রকাশিত হলে দেখা যায়, ইমরান খানের পিটিআই সর্বোচ্চ আসন দখল করেছে। তাদের ঝুলিতে এসেছে ২৬টি আসন, কিন্তু উচ্চকক্ষে শাসকদলের সংখ্যাগিষ্ঠতা থাকা এখনো মুশকিল। তাই আইন পাস করানোর ক্ষেত্রে ইমরানের সরকারকে নানা রকম বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হতে হবে।

সূত্র : ডন, আনন্দবাজার পত্রিকা।

মন্তব্য