kalerkantho

বুধবার । ৮ বৈশাখ ১৪২৮। ২১ এপ্রিল ২০২১। ৮ রমজান ১৪৪২

উইঘুর নারী নির্যাতন ব্যবস্থা চায় যুক্তরাষ্ট্র

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উইঘুর নারী নির্যাতন ব্যবস্থা চায় যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: ইন্টারনেট

চীনে উইঘুর ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারীদের ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন ও নির্যাতন নিয়ে বিবিসির প্রতিবেদন প্রকাশের পর ‘গভীর উদ্বেগ’ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই সঙ্গে এসব নির্যাতনের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা নেওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বিবিসি গত বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে চীনের শিনচিয়াং প্রদেশের বন্দিশিবিরগুলোয় নারী নিপীড়নের চিত্র তুলে আনে। ওই প্রতিবেদনে বন্দিশিবিরের ভুক্তভোগী ও এক নিরাপত্তারক্ষীর বরাত দিয়ে জানানো হয়, শিনচিয়াংয়ের শিবিরগুলোয় নারীরা পরিকল্পিত ধর্ষণ, যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। প্রতিবেদনে ওই সব শিবিরের সাবেক কয়েকজন বন্দি ও এক নিরাপত্তারক্ষীর প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই প্রতিক্রিয়া জানায় মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ওই মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র বলেন, শিনচিয়াংয়ে উইঘুর ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মুসলিমদের অন্তরীণশিবিরগুলোয় নারী ধর্ষণ ও যৌন হয়রানির ব্যাপারে ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য এবং এসংক্রান্ত খবরে যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। শিনচিয়াংয়ে চীন মানবতাবিরোধী অপরাধ করছে ও গণহত্যা চালাচ্ছে, এ অভিযোগ করে তিনি আরো বলেন, ‘এ ধরনের বর্বরতা বিবেককে নাড়া দেয় এবং অবশ্যই এসবের জন্য চরম পরিণতি ভোগ করা উচিত।’

শিনচিয়াংয়ের শিবিরগুলোয় ধর্ষণ ও অন্যান্য নির্যাতনের যেসব অভিযোগ রয়েছে, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মাধ্যমে সেসবের দ্রুত ও স্বাধীন তদন্ত করানোর দাবিও জানান ওই মার্কিন কর্মকর্তা। তিনি আরো বলেন, ‘দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা বন্ধে সব ধরনের পদক্ষেপের কথাই বিবেচনা করা হচ্ছে।’ তবে যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে চলেছে, তা স্পষ্ট করেননি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই মুখপাত্র। তিনি শুধু বলেছেন, এসব বর্বরতার নিন্দা জানানোর ব্যাপারে ওয়াশিংটন মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে।

এদিকে চীন বরাবরের মতোই উইঘুরদের বন্দি রাখা এবং নির্যাতন করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বিবিসির প্রতিবেদনকে ‘পুরোপুরি ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। যারা বিবিসিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছে, তারা মিথ্যা ছড়ায় এবং তাদের মিথ্যাচারের বিষয়টি একাধিকবার প্রমাণিত হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা