kalerkantho

শুক্রবার । ২০ ফাল্গুন ১৪২৭। ৫ মার্চ ২০২১। ২০ রজব ১৪৪২

দুই নেতার ফোনালাপ

‘তিক্ততা’ ভুলতে চান জনসন-বাইডেন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘তিক্ততা’ ভুলতে চান জনসন-বাইডেন

মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কানাডা ও মেক্সিকোর সরকারপ্রধানের পর এবার তিনি ফোনে কথা বলেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে। গত শনিবার দুই নেতার মধ্যে এই ফোনালাপ হয়। তাতে উভয় নেতাই জলবায়ু মোকাবেলায় পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (ডাউনিং স্ট্রিট) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ায় ফোনালাপের শুরুতেই বাইডেনকে অভিনন্দন জানান জনসন।’ একাধিক ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জনসনই প্রথম সরকারপ্রধান, যিনি প্রেসিডেন্ট বাইডেনের সঙ্গে কথা বললেন। যুক্তরাজ্য বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলেই বাইডেন অন্যদের আগে জনসনকে ফোন করেছেন বলেও মনে করে ব্রিটিশ গণমাধ্যম।

হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বাইডেন এই বার্তাই জনসনকে দিয়েছেন যে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে চান।’

বাইডেন ও জনসনের ঘনিষ্ঠতা খুব একটা ছিল না। জনসনকে ২০১৯ সালে ‘ট্রাম্পের ক্লোন’ হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন বাইডেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ওই তিক্ততা দূর করতেই বাইডেন সম্ভবত দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই জনসনকে ফোন করলেন।

গত শনিবার রাতে টুইটারে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন জনসন। ছবিতে দেখা যায়, তিনি হাস্যোজ্জ্বলভাবে দাঁড়িয়ে আছেন এবং টেলিফোনে কথা বলছেন। ছবির সঙ্গে জনসন লিখেছেন, ‘আজ সন্ধ্যায় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে আমার কথা হলো। নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে।’

একসময় জনসনের ব্রেক্সিট-নীতির কট্টর সমালোচক ছিলেন বাইডেন। কিন্তু শনিবারের ফোনালাপে উভয় নেতা ব্রেক্সিট ইস্যুতে না গিয়ে দুই দেশের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সুফল নিয়ে কথা বলেছেন বলে ডাউনিং স্ট্রিটের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে যেসব বিরোধ রয়েছে, জনসন সেগুলো যত দ্রুত সম্ভব মীমাংসা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা