kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

বাইডেনের মধ্যপ্রাচ্য ভাবনা নিয়ে চিন্তিত ইসরায়েল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নতুন মার্কিন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতি এখনো খোলাসা করেননি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আছে শুধু কিছু ইঙ্গিত। তবে তাতেই বেশ দুশ্চিন্তায় পরে গেছে ইসরায়েল।

নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন তাঁর পররাষ্ট্র দপ্তরে এমন লোকদেরই জায়গা দিয়েছেন, যাঁদের এসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরে মধ্যস্থতাকারী ওয়েন্ডি শারম্যানকে তিনি মনোনয়ন দিয়েছেন ডেপুটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী পদে। তাঁর মনোনয়নের জেরে পর্যবেক্ষকরা ধারণা করছেন, জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) শীর্ষক ইরানের পরমাণু চুক্তিতে আবার যুক্তরাষ্ট্রকে ফিরিয়ে নিতে চলেছেন বাইডেন। এ নিয়ে ইসরায়েল সরকার চিন্তিত, এমনটাই জানাচ্ছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

এক ইসরায়েলি দৈনিক পত্রিকা গত বৃহস্পতিবার লিখেছে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আতঙ্ক বোধগম্য এবং এটি মোটেও আশ্চর্যজনক নয়। পত্রিকাটি এটা লিখেছে, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের নতুন প্রশাসন এই আশঙ্কাকে কিছুটা প্রশমিত করার চেষ্টা করছে। তবে সেটা সফল হবে কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।

ওয়ালা শীর্ষক পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন কংগ্রেসের এক শুনানিতে মনোনীত পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ইরানি ফাইলের বিষয়ে শুধু রিপাবলিকানদেরই নয়, বরং ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোকেও আশ্বস্ত করার চেষ্টা করেছেন। ব্লিংকেন মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন মিত্রদের এই বলে আশ্বস্ত করেছেন যে পরমাণু চুক্তিতে ফেরা একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া এবং সেটি হলে তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেই হবে।

ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে ইসরায়েল। সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্ট স্থানীয় পত্রিকা মারিভকে বলেছেন, দ্বিরাষ্ট্র সমাধান এবং জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতির দেওয়ার ব্যাপারে বাইডেন প্রশাসনের দৃষ্টিভঙ্গিকে স্বাগত জানাচ্ছেন তিনি। ইসরায়েলের সাবেক এ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে, দ্বিরাষ্ট্র সমাধানই ইসরায়েলি ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ঐতিহাসিক দ্বন্দ্বের সমাপ্তি টানার একমাত্র উপায়, কিন্তু জেরুজালেমকে একতরফাভাবে ইসরায়েলের জিম্মায় দিয়ে দেওয়ার ফলে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে যে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলেননি।

বাইডেনের উত্তরসূরি ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রতি নগ্ন পক্ষপাতিত্ব দেখিয়েছেন বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা। ট্রাম্পের শাসনামলে পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতি স্থাপন চার গুণ বাড়িয়েছে ইসরায়েলিরা। দ্বিরাষ্ট্র সমাধান ছাড়াই আরবদেশগুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনেও ঠেলে দিয়েছেন সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা