kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

খনি শ্রমিকদের উদ্ধারে আরো দুই সপ্তাহ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চীনের শানডং প্রদেশে মাটির নিচে ১২ দিন ধরে আটকা পড়ে থাকা হুশান খনির শ্রমিকদের মুক্তি পাওয়ার প্রতীক্ষা আরো দীর্ঘায়িত হলো। উদ্ধারকারীরা বলছেন, সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর পরও বিস্ফোরণের কারণে সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতায় তাঁদের উদ্ধার করতে আরো অন্তত দুই সপ্তাহ লেগে যাবে।

গতকাল শুক্রবার সরকারি গণমাধ্যম সিসিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্থানীয় প্রচার বিভাগের প্রধান গং হাইতাও বলেছেন, ‘প্রতিবন্ধকতাগুলো অনেক বড় আকারের। ফলে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছাতে আমাদের আরো অন্তত ১৫ দিন, এমনকি এর চেয়ে বেশি সময়ও লেগে যেতে পারে। যে ধ্বংসাবশেষ তাঁদের উদ্ধারের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে, তা প্রায় ৭০ টন ওজনের।’

চলতি মাসের ১০ জানুয়ারি হুশান খনিতে এ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে মাটির কয়েক শ মিটার নিচে ২২ খনি শ্রমিক আটকা পড়েন। তাঁদের মধ্যে কতজন জীবিত আছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে গত রবিবার মাটির ৫৮০ মিটার নিচে একই স্থানে আটকা পড়া ১১ জনের দলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন উদ্ধারকারীরা। ওই শ্রমিকরা জানান, তাঁদের মধ্যে একজন এরই মধ্যে মাথায় আঘাত পাওয়ার কারণে মারা গেছেন। বাকিদের জন্য প্রয়োজনীয় খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করছেন উদ্ধারকারীরা। এ ছাড়া একা আটকে পড়া আরেক জীবিত শ্রমিকের খোঁজও পাওয়া গেছে, কিন্তু বাকি ১০ খনি শ্রমিকের ভাগ্যে কী ঘটেছে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কোনোভাবেই তাঁদের সন্ধান না পাওয়ায় তাঁদের জীবিত উদ্ধারের আশা ক্রমেই ফিকে হয়ে আসছে। তবে এখনো একেবারে হাল ছেড়ে দেননি উদ্ধারকারীরা। ফাঁকা স্থানগুলো প্রশস্ত করে দলটির অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। এ ছাড়া জীবিত শ্রমিকরাও লেজার পয়েন্ট ও লাউড স্পিকার ব্যবহার করে তাঁদের সন্ধান পেতে উদ্ধারকারীদের সাহায্য করছেন। যদিও এখন পর্যন্ত অন্যদিকের কোনো সাড়াই পাননি কেউ।

দুর্বল নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে প্রায়ই খনি দুর্ঘটনার শিকার হয় চীন। গত বছরের ডিসেম্বরেও চংকিং শহরে মাটির নিচে আটকা পড়ে ২৩ খনি শ্রমিকের মৃত্যু হয়। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা