kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

লকডাউনের এক বছর

উহানে ফিরছে উচ্ছ্বাস

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৩ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উহানে ফিরছে উচ্ছ্বাস

মহামারির এক বছরেও যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপ করোনারোধী লড়াইয়ের রাশ আলগা করতে পারছে না। অথচ যেখান থেকে সেই মহামারির উৎপত্তি, চীনের সেই উহানে এখন বেশ ঢিলেঢালা ভাব। লকডাউন এখন সেখানে অতীত। মাস্ক পরার কড়াকড়ি থেকেও যেন নেই।

চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহানেই ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছিল। দুই-তিন মাসের মধ্যেই তা বৈশ্বিক মহামারির আকার ধারণ করে। আর তত দিনে এক কোটি ১০ লাখ জনঅধ্যুষিত উহানকে বাকি বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় মহামারি নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে।

সেসব দিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে উহানের বাসিন্দা জু বলেন, ‘দুই-তিন মাস একদম ঘরবন্দি ছিলাম। এখন আমি প্রশান্তি নিয়ে বাইরে যেতে পারি।’ এ প্রশান্তির কৃতিত্ব তিনি চীন সরকারকেই দিয়েছেন। তাঁর মতে, করোনা মহামারি মোকাবেলায় তাঁর সরকার সাফল্যের পরিচয় দিয়েছে বলেই চীনবাসী এখন অনেকটা গা ঝাড়া দিয়ে উঠতে পেরেছে।

শহরের অন্যতম বৃহৎ নাইট ক্লাব সুপার মাংকির চিত্রও বলছে মহামারি মোকাবেলায় চীনের সাফল্যের কথা। সেখানে ঢোকার সময় মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক, তাপমাত্রা পরীক্ষাও। কারো তাপমাত্রা ৩৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হলে তাকে ফিরে যেতে হচ্ছে। কিন্তু নামমাত্র এসব কড়াকড়ি উতরে যারা ক্লাবের ভেতরে ঢুকছে, তাদের মধ্যে আর নিয়মের কোনো বালাই থাকছে না। ক্লাবে ঢুকে অনায়াসে তারা মাস্ক খুলে ফেলছে, সামাজিক দূরত্ব বলেও থাকছে না কিছু।

তাই বলে মহামারির কোনো ছাপই নেই, তেমনটা নয়। ব্যবসা-বাণিজ্যে করোনার প্রভাবটা স্পষ্ট। সুপার মাংকি নাইট ক্লাবের ব্র্যান্ড ম্যানেজার লিও বো বলেন, তাঁদের ইন্ডাস্ট্রিতে বড় ধস নামিয়ে দিয়েছে মহামারি, ক্ষতিটা প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ। নাইট ক্লাবে লোকজন আসছে বটে, তবে উপস্থিতি মহামারির আগের চেয়ে বেশ কম। তিনি আরো জানান, মহামারির শুরুর এক বছর পেরিয়ে গেলেও লোকজনের মধ্যে অস্বস্তি এখনো কাটেনি। এ ছাড়া কোনো কোনো ক্লাবে সামাজিক দূরত্ব মানাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি পালনের থাকছে কড়াকড়ি। সব মিলিয়ে উহানে জনজীবনে অচলাবস্থা কেটেছে, তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।

সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা