kalerkantho

বুধবার । ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭। ৩ মার্চ ২০২১। ১৮ রজব ১৪৪২

পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান আসলেই কি শক্তিশালী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভারতের তৈরি তেজস লাইট কমব্যাট এয়ারক্রাফটের ব্যাপারে সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় ছাড়পত্র মিলেছে। যুদ্ধবিমানটি বানাবে হ্যাল। আর তা কতটা কার্যকরী হবে, সে কথা জানালেন ভারতের বিমানবাহিনীর প্রধান আর কে এস বাদুরিয়া। তিনি বলেছেন, প্রতিপক্ষের যুদ্ধবিমানের চেয়ে ভারতীয় তেজস অনেক বেশি কার্যকরী ও উন্নত।

বালাকোটের মতো হামলার জন্য তেজস বেশি কার্যকরী হবে বলে জানান বিমানবাহিনীর প্রধান। তিনি বলেছেন, শুধু যুদ্ধবিমান নয়, দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ‘অস্ত্র’ ও অন্যান্য সরঞ্জাম আরো বেশি ব্যবহার করা হবে।

জানা গেছে, ১৯৯৯ সালে পাকিস্তান ও চীন যৌথভাবে জেএফ-১৭ থান্ডার বানানোর ব্যাপারে চুক্তিবদ্ধ হয়। আর তা বানানোর খরচ দুই দেশ সমানভাবে দেওয়ার কথা। সে অনুসারে অল্প খরচে, অল্প ওজনের এবং সব ধরনের আবহাওয়ার জন্য উপযোগী করে বিমানটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়। পশ্চিমা এভিয়নিক্সে এর সরঞ্জাম, চীনে বিমানের কাঠামো এবং রাশিয়ার ক্লিমোভ আরডি ৯৩ অ্যারো ইঞ্জিন ব্যবহার করে জেএফ-১৭ বিমান বানানো হয়। তবে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানের দক্ষতা ভারতের বিমানবাহিনীর মিরাজ-২০০০ এবং সু-৩০ এর চেয়েও কম। ২০১৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জঙ্গিদের ওপর আক্রমণের সময় বিষয়টি জানা যায়।

জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানটি অল্প খরচে বানানোর কারণে ভালোমানের হয়নি। অথচ এই যুদ্ধবিমান ব্যবহারের খরচ আধুনিক বিমানের তুলনায় অনেক বেশি। জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান তৈরিতে পাকিস্তানের অ্যারোনটিক্যাল কমপ্লেক্সের (পিএসি) ৫৮ শতাংশ অংশ নেওয়ার কথা, তবে বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। বিমান তৈরির কাঁচামাল থেকে শুরু করে নির্মাণসামগ্রী চীন থেকে আমদানি করে পাকিস্তান।

এর মধ্যে শুধু বিমানের পাখা, সামনের অংশের কাঠামো এবং লেজ তৈরি করে পিএসি, তার পরও এগুলোর কাঁচামাল আসে চীন থেকে। আর পুরো বিমানটির বেশির ভাগ অংশ চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইউরোপ এবং ব্রিটেন থেকে আসে। পিএসিতে বিমানটির অবয়ব দেওয়া হলেও এর বেশির ভাগ অংশই তৈরি হয়ে আসে চীনের সিএআইসি থেকে।

২০০৯ সালে কার্যক্রম শুরু করে ১১৫টির বেশি বিমান এরই মধ্যে তৈরি করেছে পাকিস্তানের বিমানবাহিনী। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সে দেশের বিমানবাহিনীতে দুই আসনের প্রশিক্ষণ বিমানও যুক্ত করা হয়েছে। সেসব বিমান সেবা দেওয়ার ব্যাপারে অনুপযুক্ত হওয়া সত্ত্বেও আনুষ্ঠানিকতা বজায় রাখতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান করা হয়েছিল। তাদের বিমানের যন্ত্রাংশ উন্নয়নের কার্যক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা