kalerkantho

শনিবার । ১৪ ফাল্গুন ১৪২৭। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ১৪ রজব ১৪৪২

জঙ্গি হামলায় পিগমিগোষ্ঠীর ৪৬ জন নিহত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে নৃতাত্ত্বিক পিগমি গোষ্ঠীর ৪৬ জনকে হত্যা করেছে এক সশস্ত্র গোষ্ঠী।

স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা গতকাল শুক্রবার জানান, অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এডিএফ) শীর্ষক এক বিদ্রোহী গোষ্ঠী গত বৃহস্পতিবার ওই হত্যাকাণ্ড চালায়। ইতুরি প্রদেশের আদেম্বি গ্রামজুড়ে হামলা চালিয়ে এডিএফ সেখানকার পিগমি সম্প্রদায়ের ৪৬ জনকে হত্যা করে। হামলায় ওই সম্প্রদায়ের দুজন আহত হয়েছে।

প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আদজিও গিগি পিগমি হত্যাকাণ্ডের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে এডিএফকেই দায়ী করেছেন। উগান্ডার ওই সশস্ত্র গোষ্ঠী কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ধারাবাহিক গণহত্যা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী ২০১৯ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তাদের হাতে এক হাজারের বেশি সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছে। এডিএফের ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের তথ্য তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমগুলো জানায়, কঙ্গোর নর্থ কিভু প্রদেশের বেনি এলাকায় নববর্ষের অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ২৫ বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করে এডিএফ। গত শুক্রবার কঙ্গোর সেনাবাহিনী জানায়, ওই বিদ্রোহী গোষ্ঠী গত ৫ জানুয়ারি ৫০ জিম্মিকে হত্যা করে। সেনাবাহিনীর হামলার পরিপ্রেক্ষিতে এক গ্রাম থেকে তাদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল এডিএফ।

১৯৯০-এর দশকে উগান্ডায় মুসলিম বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসেবে এডিএফের উত্থান। বর্তমানে শতাধিক সদস্যের এই বাহিনীর অত্যন্ত নৃশংস বলে কুখ্যাতি রয়েছে। কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলজুড়ে তারা প্রায়ই হামলা ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। নর্থ কিভু ও ইতুরি প্রদেশে ২০১৯ সালে সেনাবাহিনীর অভিযান শুরুর পর তাদের প্রতিশোধমূলক হত্যাকাণ্ড বেড়েছে। তবে সরকারের অব্যাহত অভিযানের জেরে এডিএফ সদস্যরা এখন ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। হামলা চালানোর সময়ও তারা ছোট দল বানিয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা