kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়াল

ইরানে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৪ ডিসেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



করোনায় মৃতের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়াল

করোনা মহামারি মোকাবেলায় এরই মধ্যে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে জনসাধারণকে ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাজ্য। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও আগামী সপ্তাহ থেকে সর্বসাধারণকে টিকা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, আরো কয়েকটি দেশও শিগগিরই টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। আর এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীনসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ।

এদিকে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ১৫ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে গত বুধবার মৃত্যু হয় ১২ হাজার ৩৭৮ জনের, যা এক দিনের হিসাবে সর্বোচ্চ।

চীনের তিনটি টিকা পরীক্ষার তৃতীয় ধাপে রয়েছে। সাধারণত তৃতীয় ধাপের পরই ব্যবহারের জন্য চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। যদিও গত জুলাইয়ে একটি টিকা জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে চীন। সিনোফার্মের ওই টিকা এরই মধ্যে ১০ লাখ মানুষের শরীরে প্রয়োগও করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে মডার্নার একটি টিকা পরীক্ষার শেষ ধাপে রয়েছে। যেকোনো সময় সেটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য যে টিকার অনুমোদন দিয়েছে, সেটির উৎপাদক ফাইজারও মার্কিন কম্পানি।

এদিকে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলছে। অনেক দেশে প্রথম ঢেউয়ের তুলনায় দ্বিতীয় ঢেউ বেশি ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এমন দেশের তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সেখানে নতুন করে গুচ্ছ সংক্রমণ শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে অনেক হাসপাতাল করোনা রোগীতে ভরে গেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

এশিয়ার দেশ ইরানে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আর কোনো দেশে এত মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়নি। মৃত্যুর সংখ্যাও কম নয়, ৫০ হাজারের কাছাকাছি। এর মধ্যে গতকাল মৃত্যু হয়েছে ৩৫৮ জনের।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় বিভিন্ন দেশে নতুন করে লকডাউন করা হচ্ছে। আবার কোনো দেশে বাড়ানো হচ্ছে লকডাউনের মেয়াদ। ইউরোপের দেশ গ্রিসে এক সপ্তাহ মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। দেশটিতে আড়াই হাজারের বেশি মানুষ করোনায় মারা গেছে। এর মধ্যে গত বুধবার মৃত্যু হয় ৯০ জনের।

বৈশ্বিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের ২১৩টি দেশ ও অঞ্চলে শনাক্ত কভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় সাড়ে ছয় কোটিতে। মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১৫ লাখ। সেরে ওঠার সংখ্যাও কম নয়—সাড়ে চার কোটির বেশি। চিকিৎসাধীন আছে এক কোটি ৮৩ লাখ মানুষ। এদের মধ্যে মৃদু উপসর্গ রয়েছে এক কোটি ৮২ লাখ মানুষের (৯৯.৪ শতাংশ)। বাকিদের (দশমিক ৬ শতাংশ) অবস্থা আশঙ্কাজনক। আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর হার ৩ শতাংশ। সূত্র : বিবিসি, এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা