kalerkantho

রবিবার। ৩ মাঘ ১৪২৭। ১৭ জানুয়ারি ২০২১। ৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে গোলাগুলি, নিহত ১৪

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৪ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিয়ন্ত্রণরেখায় গতকাল শুক্রবার ভারত-পাকিস্তান গোলাগুলিতে উভয় পক্ষের কমপক্ষে ১৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ভারতের তিন বেসামরিক নাগরিকও রয়েছে।

গতকাল দিনের শুরুতে কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা-সংলগ্ন ভারতীয় এলাকায় গোলাবর্ষণের পাশাপাশি গুলি চালায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী। এতে ভারতের তিন সেনা ও তিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে অবশ্য বলা হয়, নিহত ছয়জনের মধ্যে সামরিক সদস্যদের পাশাপাশি তিন জঙ্গি রয়েছে।

কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টর থেকে উরি সেক্টর পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পাকিস্তান এসব হামলা চালায় এবং এতে সামরিক-বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনা ঘটে বলে জানান ভারতীয় কর্মকর্তারা। হামলায় বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছে বলে তাঁরা জানান।

হামলা ও হতাহতের ঘটনায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অস্ত্রবিরতি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ এনে সীমান্তে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ভারত। এতে পাকিস্তানের কমপক্ষে আট সেনা নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে পাকিস্তান আর্মি স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপের দুই-তিনজন কমান্ডো রয়েছেন—সেনা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক টুইটে জানান, কোনো উসকানি ছাড়াই পাকিস্তান অস্ত্রবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়ে ভারতে হতাহতের ঘটনা ঘটিয়েছে। জবাবে ভারত জোরালো হামলা চালিয়ে পাকিস্তানের বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করেছে।

সীমান্তে দুই দেশের গোলাগুলি ও হতাহতের ঘটনার পর ভারতের সংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী টুইটারে তাঁর দেশের সেনাদের সাহসিকতার জন্য শ্রদ্ধা জানান এবং পাকিস্তানের ‘হামলার পরিকল্পনা’ নস্যাৎ করে দেওয়ায় জোয়ানদের প্রশংসা করেন।

১৯৪৭ সালের দেশ ভাগের পর বিতর্কিত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ভারত-পাকিস্তান সব সময় মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এ সীমান্ত দ্বন্দ্ব কমপক্ষে দুবার যুদ্ধে রূপ নেয়। অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে যুদ্ধাবস্থা রোধ করা গেলেও সীমান্তে দুই পক্ষের গোলাগুলি ও হতাহতের ঘটনা প্রায় নিয়মিত। উভয় পক্ষের পরস্পরের প্রতি দোষারোপও চলে সমানতালে।

সূত্র : এএফপি, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য