kalerkantho

রবিবার । ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৯ নভেম্বর ২০২০। ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

বৈশ্বিক সংক্রমণে উল্লম্ফন, প্রাণহানি ১২ লাখ ছাড়াল

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈশ্বিক সংক্রমণে উল্লম্ফন, প্রাণহানি ১২ লাখ ছাড়াল

প্রাণঘাতী নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। এক দিনের হিসাবে বৈশ্বিক আক্রান্তের রেকর্ড ভাঙছে দ্রুত সময়ের মধ্যে। গত শুক্রবার সর্বাধিক পাঁচ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর আগে গত ১৫ অক্টোবর প্রথমবারের মতো চার লাখ আক্রান্ত নথিবদ্ধ হয়। অর্থাৎ মাত্র ১৫ দিনে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েছে পৌনে দুই লাখ।

বৈশ্বিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসাবে, গতকাল শনিবার পর্যন্ত বিশ্বের ২১৪টি দেশ ও অঞ্চলে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে চার কোটি ৬৪ লাখে। এ সময়ের মধ্যে সুস্থ হয়েছে তিন কোটি ৩৫ লাখ রোগী। আর প্রাণহানির সংখ্যা ১২ লাখ ছাড়িয়েছে। অবশ্য সংক্রমণে উল্লম্ফন হলেও মৃত্যুহার ধারাবাহিকভাবে কমছে। শুক্রবার বৈশ্বিক গড় মৃত্যুহার দাঁড়িয়েছে ৩.২৮ শতাংশে।

এদিকে ইউরোপে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। মহামারিতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্রে এই সংখ্যা ৯০ লাখ। সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি থামাতে শুক্রবার থেকে ফ্রান্সে নতুন লকডাউন কার্যকর করা হয়েছে। আর করোনা নিয়ে নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বেলজিয়ামে আগামীকাল সোমবার থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে আগামী মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দোকানপাট বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। জনসমাগমস্থলে সর্বোচ্চ চারজন একসঙ্গে থাকতে পারবে।

অন্যদিকে ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে ৪৮ হাজার ২৬৮ জন। শুক্রবার তা ছিল ৪৮ হাজার ৬৪৮ জন। এদিনের আক্রান্তের সংখ্যা মিলিয়ে সারা দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১ লাখ ৩৭ হাজার ১১৯ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) শুক্রবার বলেছে, প্রাণী থেকে করোনাভাইরাস মহামারি ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি তদন্তের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদলের সঙ্গে সমপক্ষীয় চীনা বিশেষজ্ঞদের প্রথম ভার্চুয়াল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিভাবে প্রাণী থেকে ভাইরাসটি মানবশরীরে সংক্রমিত হয়েছে, সেটি তদন্তে চীনকে সহায়তার জন্য মহামারি বিশেষজ্ঞ ও প্রাণী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের একটি দল চীনে পাঠানোর জন্য কয়েক মাস ধরে কাজ করছে ডাব্লিউএইচও। সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস বলেছেন, জাতিসংঘের এই সংস্থা ভবিষ্যতে মহামারি রোধে ভাইরাসটির উৎস সম্পর্কে নিশ্চিত হতে অব্যাহতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা