kalerkantho

সোমবার । ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৩ নভেম্বর ২০২০। ৭ রবিউস সানি ১৪৪২

প্রার্থীদের খরচ কত, কে দেয়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৮ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অন্য বহু দেশের মতো মার্কিন নির্বাচনে একজন প্রার্থী কত ব্যয় করবেন তার কোনো বেঁধে দেওয়া সীমা নেই। এ কারণে মার্কিন নির্বাচন ক্রমেই অধিকতর ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। ২০০০ সালে প্রার্থীরা নির্বাচনে যে ব্যয় করেছিলেন ২০১৬ সালে প্রার্থীরা ব্যয় করেছেন তার দ্বিগুণেরও বেশি। অর্থাৎ বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাসম্পন্ন চাকরি সস্তায় মেলে না। এ বছরও এর ব্যতিক্রম নয়। হোয়াইট হাউসে ঢুকতে বা থেকে যেতে দুই প্রার্থী বড় ধরনের অর্থ ব্যয় করছেন।

২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল ৬৫০ কোটি ডলার। করোনাভাইরাসের কারণে এ বছরের পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। গত পাঁচবারের নির্বাচনে গড়পড়তায়  প্রত্যেক প্রার্থী ২০০ কোটি ডলার করে খরচ করেছেন। এর অর্ধেকই ব্যয় হয়েছে গণমাধ্যমে প্রচারের জন্য। টিভি-রেডিওর বিজ্ঞাপন এ প্রচারেরই অংশ। জানা গেছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার শুধু একটি বিজ্ঞাপনের পেছনেই কয়েক মিলিয়ন ডলার খরচ করেছেন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এই বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। এর সঙ্গে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের বিজ্ঞাপনের খরচও রয়েছে এবং এটি বাড়ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোটারদের ধরার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। আর ভোটার ধরার সবচেয়ে কার্যকর উপায় চটকদার বিজ্ঞাপন।

এরপর রয়েছে প্রচার দলের বেতন। গতবার ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন প্রায় সাড়ে আট কোটি ডলার তাঁর প্রচার দলের সদস্যদের বেতন দেওয়ার পেছনে ব্যয় করেন। এর বাইরে প্রচার চালানোর জন্য এই রাজ্য, ওই রাজ্যে ভ্রমণও কম ব্যয়বহুল নয়। গতবার হিলারি ও ট্রাম্প প্রচারের জন্য ভ্রমণেই সাড়ে চার কোটি ডলার করে খরচ করেন। মহামারির কারণে এবার হয়তো এই খরচ কিছুটা কম হবে।

একই সঙ্গে রয়েছে নির্বাচনী প্রচারসামগ্রী। গতবার ট্রাম্প তাঁর নাম লেখা ক্যাপ বানিয়েছিলেন ৩০ লাখ ডলারের।

প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মার্কিন ভোটাররা কংগ্রেসের সদস্য নির্বাচনের জন্যও ভোট দেন। শত শত প্রার্থী দেশজুড়ে প্রচার চালান। এরও ব্যয় আছে। প্রতিবার অন্তত ৪০০ কোটি ডলার প্রার্থীরা খরচ করেন।

এই অর্থ কোথা থেকে আসে? এর বেশির ভাগই আসে প্রচারের জন্য দেওয়া সমর্থকদের চাঁদা থেকে। একেবারে সাধারণ আমেরিকনরাও চাঁদা দেয়। এর পরিমাণ জনপ্রতি ২০০ ডলার বা এর কমও হতে পারে। তবে বড় অঙ্কের অর্থও পাওয়া যায়। গতবার প্রায় ১০০ কোটি ডলার উঠেছিল বিত্তবানদের দেওয়া চাঁদায়। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য