kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

চীনের কাশগড়

একজনের করোনা ধরা পড়ায় পুরো শহরবাসীর নমুনা পরীক্ষা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



একজনের করোনা ধরা পড়ায় পুরো শহরবাসীর নমুনা পরীক্ষা

চীনের উহানে প্রথমবারের মতো করোনা শনাক্ত হওয়ার পর কার্যকর পদক্ষেপ আর কঠোর ব্যবস্থাপনায় দ্রুতই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে দেশটি। এরপর ছোট ছোট প্রাদুর্ভাব হলেও সংশ্লিষ্ট এলাকা বা পুরো শহরের সবাইকে পরীক্ষার আওতায় আনা হচ্ছে। এবার তেমনই ঘটনা ঘটেছে দেশটির শিনচিয়াং প্রদেশের কাশগড় শহরে। সেখানে একজনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ার পর শহরটির প্রায় ৪৭ লাখ বাসিন্দার সবার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

বিবিসি জানিয়েছে, গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষায় রবিবার বিকেল পর্যন্ত ২৮ লাখের বেশি লোকের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে ১৩৭ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। তাদের কারো শরীরেই কোনো উপসর্গ ছিল না। অবশিষ্ট বাসিন্দাদের পরীক্ষা দুই দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কর্মকর্তারা।

শিনচিয়াং চীনের মুসলিমপ্রধান উইঘুর সংখ্যালঘু ও অন্য তুর্কিভাষী মুসলিমদের বাসস্থান। এরা বেইজিং সরকারের নির্যাতনের শিকার হচ্ছে বলে অধিকার আন্দোলনকারী গোষ্ঠীগুলো অভিযোগ করে আসছে। কাশগড়ের বাসিন্দাদের নমুনা পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত শহর ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। শহরের স্কুলগুলোও বন্ধ রাখা হয়েছে।

করোনার ‘রুটিন পরীক্ষায়’ কাশগড়ের শুফু কাউন্টির একটি গার্মেন্ট কারখানার একজন নারী কর্মীর দেহে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। উপসর্গহীন এই রোগী শনাক্তের পরপরই নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। পরীক্ষা করানো হচ্ছে সবাইকে। এর আগে টানা ১০ দিন চীনের মূল ভূখণ্ডে কারো মধ্যে ভাইরাসটির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত অক্টোবরের শুরুতে শ্যানদং প্রদেশের বন্দর শহর ছিংদাওয়ে এ ধরনের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর কর্তৃপক্ষ শহরটির ৯০ লাখ লোকের করোনাভাইরাস পরীক্ষা করে। মাত্র পাঁচ দিনে পুরো শহরের সব বাসিন্দার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এরও আগে উহান নগরীর এক কোটি ১০ লাখ বাসিন্দার পরীক্ষাও সম্পন্ন করে চীন।

স্পেনে জরুরি অবস্থা : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আবারও বাড়ছে স্পেনে। এই ভাইরাসের সংক্রমণ কমাতে দেশটিতে আবারও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এবং রাতের বেলা কারফিউ জারি করা হয়েছে। গত রবিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এই ঘোষণা দেন। স্পেনে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রথম ধাক্কা মোকাবেলার জন্যও গত এপ্রিলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। পরে গ্রীষ্মে এই জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করা হয়।

বিশ্ব পরিস্থিতি : বৈশ্বিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসাবে, গতকাল সোমবার পর্যন্ত বিশ্বের ২১৪টি দেশ-অঞ্চলে আক্রান্তের সংখ্যা চার কোটি ৩৭ লাখে পৌঁছেছে। এ সময়ে সুস্থ হয়েছে তিন কোটি ২১ লাখ রোগী। আর প্রাণহানি হয়েছে ১১ লাখ ৬৩ হাজার মানুষের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা