kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

ইসরায়েলের সঙ্গে এবার সুদানের চুক্তি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের পর এবার সুদানও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গতকাল শুক্রবার এ বিষয়ক একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্ররা এই চুক্তিকে স্বাগত জানালেও স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিন।

১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তাদের সঙ্গে পরোক্ষভাবে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল সুদান। কিন্তু আরববিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে তারাও এখন ইসরায়েলের সঙ্গে শত্রুতা ভুলে বন্ধুত্ব করতে চাইছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইটার বার্তায় বলেন, ‘এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বশান্তির জন্য বড় এক বিজয়। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনের পর সুদানও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি ঘটেছে। সামনে আরো ঘটবে।’

জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে আরববিশ্বের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে এই চুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে এবং অবশ্যই তাদের ধন্যবাদ জানানো উচিত।’

চুক্তির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসি। টুইটারে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, সুদান ও ইসরায়েলের এই প্রচেষ্টাকে আমি সাধুবাদ জানাই।’

স্বাভাবিকভাবেই ইসরায়েল-সুদানের এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিন। গতকাল প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রত্যাখ্যানের পাশাপাশি এই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।’

গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী হামাস এই চুক্তিকে ‘রাজনৈতিক পাপ’ হিসেবে অভিহিত করেছে। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, ‘এই চুক্তির মাধ্যমে শুধু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুই লাভবান হবেন।’

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইসরায়েল-সুদানের এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ অন্যদিকে ইরান বলেছে, এই চুক্তির জন্য সুদানকে অবশ্যই মাসুল গুনতে হবে। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা