kalerkantho

শনিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৮ নভেম্বর ২০২০। ১২ রবিউস সানি ১৪৪২

৩৭০ ধারা বিলোপে কাশ্মীরে ফিরেছে কাঙ্ক্ষিত শান্তি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৪ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভারতের প্রধানমন্ত্রী অনেকেই হয়েছেন; কিন্তু নরেন্দ্র মোদির আমলটা পুরো অন্য রকম। তাঁর ধারেকাছে কাউকে রাখা যাচ্ছে না—এমনভাবেই নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করা হয়েছে টাইম ম্যাগাজিনে। ম্যাগাজিনের কথা না হয় বাদই দিলাম, কাশ্মীরের সাধারণ মানুষও কিন্তু একই কথা বলছে। কারণ গত এক বছরে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর বাস্তব ছবিটাই তো পাল্টে গেছে। তারা পাচ্ছে বলিষ্ঠ সরকারি পদক্ষেপের সুফল। কথা রেখেছেন মোদি, পাহাড়ের মানুষ খুঁজে পেয়েছে বেঁচে থাকার সঠিক দিশা।

শ্রীনগরের বিখ্যাত ডাল লেকের পাশে বসে মহ. ইউসুফ শোনালেন তাঁর নিজের অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, ‘ডাল লেকের এই মায়াবী চেহারাই তো ভুলতে বসেছিলাম। গত এক বছরে অনেক শান্ত হয়েছে কাশ্মীর। এখানকার যুবকরা এখন ৫০০ টাকার জন্য ফৌজিদের পাথর ছুড়তে যাওয়ার বদলে চাকরির ধান্দা শুরু করেছে।’

কারা ছুড়ত পাথর? ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ বলছে, পাকিস্তানিদের পয়সায় কিছু বেকার যুবক এই কাজে নিযুক্ত ছিলেন। ২০১৬ সালে দুই হাজার ৬৫৩টি পাথরবৃষ্টির ঘটনার সাক্ষী কাশ্মীরের মানুষ। অথচ গত বছরের ৫ আগস্ট কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা লোপ করে দুটি কেন্দ্রশাসিত রাজ্য গঠনের পর অশান্তি বন্ধ। পুলওয়ামার গ্রামপ্রধান আলতাফ ঠাকুর বলেন, এখন কাজের মধ্যে এসেছে স্বচ্ছতা। সরকারের দায়বদ্ধতাও অনেক বেড়েছে। উন্নয়ন হচ্ছে। মানুষ খুশি। পরিস্থিতির পরিবর্তন সাংবাদিকদের চোখেও ধরা পড়েছে।

স্থানীয় সাংবাদিক তারিক ভাট বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই তো শুনে এসেছি হরতাল আর শুধু হরতালই। গত এক বছরে সেই বন্ধ্যা রাজনীতির বদলে মানুষ এখন উন্নয়নের পথে হাঁটতে পারছে। এটাই বড় প্রাপ্তি।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা