kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ১ ডিসেম্বর ২০২০। ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

পাকিস্তানের ‘কালো দিবস’ ২৬ অক্টোবর

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রতিবছর পাকিস্তান ২৬ অক্টোবর ‘ব্ল্যাক ডে’ বা কালো দিবস হিসেবে পালন করে, যার পেছনে রয়েছে চাঞ্চল্যকর কিছু বিষয়। ইতিহাসে তথ্য বিকৃতি নতুন কিছু নয়। তবে সত্য উদঘাটিত হলে নতুন করে লেখা উচিত ইতিহাস। সেটা না হলে তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে প্রতারণা করা হবে। তাই প্রকৃত সত্য প্রকাশ পেলে সেটা তুলে ধরা উচিত সঠিকভাবে।

ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের তরুণদের দিকে তাকালে এটা যে কত জরুরি সেটা বোঝা যায়। এখনো অনেকের কাছেই গোপন রয়েছে কাশ্মীরের আসল ইতিহাস। এখন সময় এসেছে জম্মু ও কাশ্মীরের তরুণদের সামনে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরার। ইতিহাসের আলোকে দাঁড়িয়ে তারাই পারবে নিজেদের ভবিষ্যৎ ঠিক করতে।

প্রতিবছর পাকিস্তান ২৬ অক্টোবর ‘কালো দিবস’ পালন করে। পাকিস্তানের জন্মলগ্ন থেকে আট মাসের যুদ্ধে ভারতের কাছে পরাজয়ের স্মৃতি আগলে তারা আজও পালন করে চলেছে কালো দিবস। ১৯৪৭-৪৮-এর সেই যুদ্ধেও শোচনীয়ভাবে পরাস্ত হয়েছিল পাকিস্তান।

১৯৪৭ সালের ২২ অক্টোবর কাশ্মীর আক্রমণের পরিণতি যে ভালো হয়নি সেটা ভালোই বোঝে পাকিস্তানের সর্বস্তরের মানুষ। তবু সেই পরাজয়ের স্মৃতি উসকে দিয়ে আজও চলছে ভারতবিদ্বেষ বাড়ানোর চেষ্টা। চলছে মিথ্যা প্রচারও।

কালো দিবসে পাকিস্তান শোক প্রকাশ করে নিজেদের দেশের নিহত সেনা ও অন্যদের প্রতি। কিন্তু ভুলেও কাশ্মীর উপত্যকায় নিহত হাজারো মানুষের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা কখনো জানায়নি তারা। হিন্দু-মুসলিম-শিখসহ সব সম্প্রদায়ের মানুষকেই সেদিন কতল করেছিল পাকিস্তানিরা। ধর্ষিত হয়েছিলেন বহু কাশ্মীরি নারী। বর্বরতার চরম সীমায় পৌঁছেছিল সেদিন পাকিস্তানি হানাদাররা। অথচ আজও পাকিস্তান সেই ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেনি। কাশ্মীর নিয়ে বহু কথা বললেও পাকিস্তানি হামলাবাজদের সেদিনের নৃশংসতা নিয়ে টুঁ শব্দটিও করতে নারাজ ইসলামাবাদ।

কিন্তু সত্য চাপা থাকে না। পাকিস্তানি ফৌজি কর্তার বয়ানেই উঠে এলো প্রকৃত সত্য। পাকিস্তানে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আকবর খান তাঁর লেখা বইয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন কাশ্মীর আক্রমণের সব কৌশল ও ঘটনাপ্রবাহ। আর এই আক্রমণ যে পাকিস্তানি রাষ্ট্রনায়কদের নির্দেশেই সেনাবাহিনী করেছিল, সেটা জেনারেল সাহেবের বর্ণনায় স্পষ্ট।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা