kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

ভোটে বর্ণবাদের প্রভাব কতটা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যটার’ আন্দোলনের পর আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও এর প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আঁচ পাওয়া যায় দেশটির সাউথ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের চার্লসটন শহরের রাস্তায়।

এ শহরের বাসিন্দা ব্রাক্সটন স্পাইভে পাঁচ বছর ধরে প্রতি সপ্তাহে বর্ণবাদের সমর্থকদের মূর্তিতে কনফেডারেট পতাকা ওড়ান। তাঁর ভাষ্য, ‘আমি এখানে আসি ইতিহাস রক্ষায়।’ তিনি মনে করেন, যদি ইতিহাস মুছে ফেলেন তবে আপনা-আপনি এর পুনরাবৃত্তি ঘটবে। তিনি নিজে বর্ণবাদী নন বলেও দাবি করেন স্পাইভে। ঠিক রাস্তার ওপারে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে সরব রিটা কাজিরকিস বলেন, ‘অতীত রক্ষার মহৎ কারণের কথা বলে তারা সেখানে জমায়েত হয়েছে। আসল সত্যটা হলো তারা বর্ণবাদী ইতিহাস উদ্‌যাপন করছে। এ কারণেই আমরা এর বিরুদ্ধে এখানে দাঁড়িয়েছি।’ সাউথ ক্যারোলাইনা থেকে যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সূচনা হয়েছিল। অঙ্গরাজ্যটি তার বর্ণবাদী অতীত থেকে দূরে সরতে সচেষ্ট। তবে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদ দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলছে। পাঁচ বছর আগে একজন শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীর গুলিতে চার্লসটনের মাদার ইমানুয়েল চার্চে ৯ জন কৃষ্ণাঙ্গ নিহত হয়। এর জেরে অঙ্গরাজ্যটির রিপাবলিকান গভর্নর রাজ্য ভবন থেকে কনফেডারেট পতাকা নামিয়ে নিতে বাধ্য হন।

নর্থ চার্লসটনের একটি আগাম ভোটকেন্দ্রে এক তরুণী বলেন, ‘আমাদের বর্তমান প্রেসিডেন্ট শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদের অবসান ঘটাবেন—এমনটা আমার মনে হয় না।’ বর্ণবাদী অবিচার এখানকার বাস্তবতা মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে এটা প্রতিদিন দেখি।’ মিনেপলিসে গত মে মাসে একজন শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তার হাতে কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক জর্জ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার পর দানা বাঁধে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা