kalerkantho

সোমবার । ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ৩০ নভেম্বর ২০২০। ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

এএফপির বিশ্লেষণ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্ক ‘লাইফ সাপোর্টে’

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানানোর সঙ্গে সতর্কতাও উচ্চারণ করেছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। অনেকটা রেওয়াজবহির্ভূতভাবে জার্মান চ্যান্সেলর তখন বলেছিলেন, তিনি (ট্রাম্প) গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল থাকবেন—এই শর্তে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করবেন। সেই পরিস্থিতির আর উন্নতি হয়নি।

চার বছর পর ট্রাম্পের ক্ষয়িষ্ণু পররাষ্ট্রনীতির কারণে শুধু জার্মানির সঙ্গে নয়, প্রায় পুরো ইউরোপের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নীতিবিষয়ক গবেষণা সংস্থা জার্মান মার্শাল ফান্ড অব দ্য ইউনাইটেড স্টেটসের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সুধা ডেভিড-উইলপ বলেন, ‘আটলান্টিকের দুই পারের সম্পর্ক বাস্তবিক অর্থে লাইফ সাপোর্টে আছে।’

বিশ্লেষকরা বলছেন, এমনকি আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন জয়ী হলেও জাদুকরীভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সম্পর্কের ফাটল ঘুচবে না।

সম্প্রতি পিউ রিসার্চ সেন্টারের করা এক জরিপ বলছে, ইউরোপীয়দের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তির রেকর্ড অবনতি ঘটেছে। মাত্র ২৬ শতাংশ জার্মান নাগরিকের চোখে যুক্তরাষ্ট্র সুপারপাওয়ারের মর্যাদা পাচ্ছে। ব্রিটিশ গবেষণা সংস্থা চ্যাথাম হাউসের ব্রুস স্টোকসের মতে, এই ‘কঠোর ফয়সালার’ পেছনে ট্রাম্প প্রশাসনের করোনাভাইরাস মোকাবেলায় ‘ভুলভাল’ পদক্ষেপেরও আংশিক ভূমিকা আছে।

স্টোকস বলেন, ইউর বর্তমান প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে থাকা জার্মানিকে প্রতিনিয়ত ট্রাম্পের আক্রোশের মুখে পড়তে হয়েছে। বাণিজ্যের প্রশ্নে পুরো ইউরোপকে বৈরী হিসেবে চিহ্নিত করে ট্রাম্প মূলত মিত্রদের স্তম্ভিত করেছেন এবং ‘জনগণকে ভীত’ করেছেন রাশিয়ার সঙ্গে সদ্ভাব স্থাপন করে।

তবে এই মহাদেশে ট্রাম্পের কিছু মিত্রও রয়েছে। অভিবাসনবিরোধী হিসেবে পরিচিত হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান প্রকাশ্যে ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনের পক্ষে সাফাই গাইছেন। মহাদেশের বাইরেও ট্রাম্পের কিছু মিত্র আছে। তবে এক শব্দে সবার পরিচয় একই হয় সামরিক এক নায়ক অথব স্বৈরশাসক।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা