kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

শিনচিয়াংয়ে হাজারো মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ, চীনের অস্বীকার

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিনচিয়াংয়ে ২৪ হাজারের বেশি মসজিদ আছে, যা অনেক মুসলিমপ্রধান দেশেও নেই বলে দাবি করেছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। অস্ট্রেলিয়ার একটি থিংকট্যাংক থেকে শিনচিয়াংয়ে হাজারো মসজিদ ধ্বংসের অভিযোগ তোলা হয়েছে। ‘অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট’ (এএসপিআই) গত বৃহস্পতিবার এসংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন সরকারের কৌশলের অংশ হিসেবে ২০১৭ সাল থেকে শিনচিয়াংয়ে প্রায় ১৬ হাজার মসজিদ সম্পূর্ণ বা আংশিক ভেঙে ফেলা হয়েছে।

শিনচিয়াংয়ে প্রায় ৯০০ ধর্মীয় স্থান, যেগুলো মসজিদ, মাজার বা পবিত্র জায়গা বলে বিবেচিত হতো, সেগুলোর ২০১৭ সালের আগের ও পরের ভূ-উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে ওই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এএসপিআইর প্রতিবেদনে বলা হয়, “চীন সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে এবং নিয়মতান্ত্রিক প্রচারের মাধ্যমে ‘শিনচিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের’ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরায় লিখতে চাচ্ছে, তারা আদিবাসীদের ওই সব সাংস্কৃতিক প্রথা ‘চীনা জাতির’ অধীন বানিয়ে ফেলতে চাচ্ছে। ‘পাশাপাশি তারা উইঘুরদের ভাষা, সংগীত, বাড়িঘর এমনকি খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন বা মুছে ফেলার মধ্য দিয়ে জোরজবরদস্তি উইঘুরদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবন গোড়া থেকে পাল্টে ফেলতে চচ্ছে। এ জন্য চীন সরকার উইঘুরদের প্রধান প্রধান ঐতিহাসিক নিদর্শন ও স্থাপনা ঠাণ্ডা মাথায় ক্রমে মুছে ফেলা বা পাল্টে দেওয়ার কৌশল গ্রহণ করেছে।” চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ওই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। গত শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, ওই প্রতিবেদন ‘কলঙ্কজনক গুজব ছাড়া আর কিছুই না।’ বলেন, ‘বিদেশি রাষ্ট্রগুলো চীনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ছড়ানোর অভিসন্ধি করেছে। এএসপিআই বিদেশ থেকে তহবিল পেতে ওই মিথ্যাকে সমর্থন দিয়েছে। যদি সংখ্যার দিকেই তাকান, শিনচিয়াংয়ে ২৪ হাজারের বেশি মসজিদ আছে, যেটা পুরো যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে ১০ গুণ বেশি। ২৪ হাজারের বেশি মসজিদ থাকার অর্থ শিনচিয়াংয়ে প্রতি ৫৩০ জন মুসলমানের জন্য একটি করে মসজিদ।’ সূত্র : রয়টার্স।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা