kalerkantho

সোমবার । ১০ কার্তিক ১৪২৭। ২৬ অক্টোবর ২০২০। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ব্রেওনা টেইলর হত্যাকাণ্ড

কেন্টাকিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কেন্টাকিতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ

যুক্তরাষ্ট্রের লুইভিলে কৃষ্ণাঙ্গ ব্রেওনা টেইলর হত্যার প্রতিবাদে দেশজুড়ে বিক্ষোভ চলছে। কলোরাডোর ডেনভারে গত বুধবার তোলা ছবি। ছবি : এএফপি

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্টাকি অঙ্গরাজ্যের লুইভিল শহরে পুলিশি অভিযানে কৃষ্ণাঙ্গ নারী ব্রেওনা টেইলরের মৃত্যুর ঘটনায় চলমান বিক্ষোভ ক্রমে তীব্র হচ্ছে। গত বুধবার রাতে শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিলে কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেয়। বিক্ষোভের সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন পুলিশের দুই কর্মকর্তা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, গুলিবিদ্ধ দুই কর্মকর্তা আশঙ্কামুক্ত। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রায় ছয় মাস আগে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে মৃত্যু হয় টেইলরের। ওই ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের অভিযুক্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই লুইভিল শহরে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। বুধবার রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত ছিল জরুরি অবস্থা। পরিস্থিতি মোকাবেলায় বুধবার সেখানে ন্যাশনাল গার্ড বাহিনীর সদস্যও মোতায়েন করা হয়। কিন্তু জরুরি অবস্থা অমান্য করে রাত ৯টার পরও হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সড়কে অবস্থান নেয়।

সিএনএনের খবরে বলা হয়, টেইলর হত্যাকাণ্ডে কেবল এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ‘লঘু’ অপরাধের অভিযোগ আনার পরই লুইভিলের বিভিন্ন সড়কে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হতে শুরু করে। অনেক জায়গায় তারা পুলিশের সঙ্গে ধাওয়াধাওয়ি ও সংঘর্ষেও জড়িয়ে পড়ে।

টেইলরের স্বজনদের দাবি, অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনতে হবে। কিন্তু তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনার পর হ্যানকিনসন নামের এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ‘লঘু’ অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। বাকি দুই পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই আনা হয়নি।

টেইলরের পরিবারের আইনজীবী বলেছেন, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ না আনা ‘আপত্তিকর ও অপমানজনক’।

টেইলরের স্বজনদের উদ্দেশে অ্যাটর্নি জেনারেল ড্যানিয়েল ক্যামেরন বলেন, ‘সন্তান, ভাতিজি, বোন, কিংবা বন্ধু হারানোর শোক দূর করতে আজ আমি আপনাদের কিছুই দিতে পারছি না।’

গত মার্চে টেইলরের ফ্ল্যাটে ওই অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের মধ্য দিয়ে আইনের কোনো লঙ্ঘন হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।

এদিকে সপ্তাহ দুয়েক আগে টেইলরের পরিবারকে এক কোটি ২০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার একটি সমঝোতায় সম্মত হয়েছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কেন্টাকির রিপাবলিকান অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রশংসাও করেন। সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা