kalerkantho

রবিবার । ৯ কার্তিক ১৪২৭। ২৫ অক্টোবর ২০২০। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

পাকিস্তানে বিরোধীদলীয় জোট

‘ইমরান হটাও’ আন্দোলনের ডাক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘ইমরান হটাও’ আন্দোলনের ডাক

প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পদত্যাগ দাবিতে পাকিস্তানে জোট বেঁধে আন্দোলনে নামতে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল। আগামী মাস থেকে তাদের এই আন্দোলন শুরু হবে। জোটের নাম দেওয়া হয়েছে পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (পিডিএম)।

এই জোটের নেতৃত্বে আছে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি)। জোটের শরিকদের মধ্যে পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও জমিয়াত উলেমা-ই-ইসলাম ফজল (জেইউআই-এফ)-এর মতো দলও রয়েছে।

গত রবিবার সর্বদলীয় বৈঠকে বসে পিডিএম। বৈঠক চলে কয়েক ঘণ্টা। সন্ধ্যার পর এক সংবাদ সম্মেলনে জোটের যৌথ বিবৃতি পড়ে শোনান জেইউআই-এফ প্রধান মাওলানা ফজল উর রেহমান। বিবৃতিতে ২৬টি অনুচ্ছেদ আছে। ফজল উর রেহমান বলেন, বিরোধী দলগুলো একমত হয়ে যে তারা আগামী মাস থেকে ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করবে। এই আন্দোলনের অন্যতম দাবি হলো, প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইমরান খানের অপসারণ।

বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, ইমরান খানের সরকার ‘একটা মিথ্যা স্থিতিশীলতাকে মেনে নিয়েছে।’ সেনাবাহিনীর প্রতি ইঙ্গিত করে বিবৃতিতে বলা হয়, এই মিথ্যা স্থিতিশীলতা যাদের মাধ্যমে এসেছে, তারা নির্বাচনে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের ব্যক্তিকে ক্ষমতায় বসাচ্ছে। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, বিষয়টি খুবই উদ্বেগজনক এবং এই হস্তক্ষেপ দেশের স্থিতিশীলতার জন্য বড় ধরনের হুমকি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারবিরোধী এই আন্দোলন ধাপে ধাপে শুরু হবে। প্রথম ধাপে জোটের দলগুলো আগামী মাসে দেশের চারটি প্রদেশে যৌথ সমাবেশ করবে। আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হবে ডিসেম্বরে। ওই সময় সমাবেশ হবে দেশজুড়ে। সর্বশেষ ধাপ শুরু হবে জানুয়ারিতে। ওই সময় সরকারকে হটাতে রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে লংমার্চ।

জোটের দলগুলো বলছে, আগামী নির্বাচন হতে হবে স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ। এ জন্য নির্বাচনী ব্যবস্থায় সংস্কার আনতে হবে। জোটের দলগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা এখন থেকে সংসদীয় ব্যাপারে ক্ষমতাসীন দলকে কোনো ধরনের সহযোগিতা করবে না।

পিডিএম জানিয়েছে, এই আন্দোলনে কৃষক, শিক্ষার্থী, আইনজীবী ব্যবসায়ী ও সুধীসমাজের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে যুক্ত করা হবে। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা