kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

সিরিয়া যুদ্ধ

সেনা বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র বাড়তি ছয়টি অস্ত্রে সজ্জিত ট্যাংক এবং শতাধিক সেনা পাঠিয়েছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সিরিয়ায় রুশ বাহিনীর সঙ্গে একাধিকবার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্র দেশটিতে বাড়তি সেনা মোতায়েন করেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা গতকাল শনিবার জানান, সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র বাড়তি ছয়টি অস্ত্রে সজ্জিত ট্যাংক এবং শতাধিক সেনা পাঠিয়েছে। গৃহযুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মার্কিন ও রুশ বাহিনী নিয়মিত টহল দেয়। এ বছর দুই বাহিনী বেশ কয়েকবার মুখোমুখি হওয়ায় ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে।

শুক্রবার ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় অন্য কোনো দেশের সঙ্গে সংঘাতে জড়াতে চায় না। তবে প্রয়োজনে অবশ্যই যৌথ বাহিনীকে সুরক্ষা দেবে।’ এই মার্কিন কর্মকর্তা সরাসরি রাশিয়ার নাম উল্লেখ না করলেও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক কর্মকর্তা বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব সিরিয়ায় সেনা মোতায়েন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা রাশিয়াকে স্পষ্ট করে পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সংঘাত কমিয়ে আনার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তা মেনে চলার কথা বলছি। সেখানে রাশিয়া এবং অন্য দলগুলোর সব ধরনের অপেশাদার, অনিরাপদ ও উসকানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।’

মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এনবিসি নিউজ জানায়, উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার একটি ‘নিরাপদ জোন’, যেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনী ও কুর্দিরা কার্যক্রম পরিচালনা করে, সেখানে রুশ বাহিনীর প্রবেশ আটকাতেই নতুন করে সেনা ও সাঁজোয়া যান পাঠানো হয়েছে। গত মাসের শেষ দিকে মার্কিন সেনাদের একটি দল রাশিয়ার একটি সাঁজোয়া যানের মুখোমুখি হয়ে গেলে লড়াইয়ে সাত মার্কিন সেনা আহত হন। লড়াইয়ের ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে পোস্ট করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া সরকার এ ঘটনার জন্য পরস্পরকে দায়ী করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, রুশ সেনারা তাদের ‘নিরাপদ জোনে’ প্রবেশ করেছে। অথচ চুক্তি অনুযায়ী সেখানে তাদের প্রবেশ করার কথা নয়। অন্যদিকে রাশিয়া বলেছে, তারা মার্কিন বাহিনীকে আগেই ওই এলাকায় টহল দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এখনো প্রায় পাঁচ শ মার্কিন সেনা মোতায়েন আছে। তারা সেখানে ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কুর্দি বাহিনীকে সহায়তা করে। অন্যদিকে রুশ বাহিনী সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের হয়ে লড়াই করে।

২০১৯ সালের ?অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সিরিয়া থেকে এক হাজার সেনা প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা দেন। এর কয়েক ?মাস পর তিনি বলেন, সিরিয়ার তেলকূপগুলোর সুরক্ষায় তিনি কিছু মার্কিন সেনা দেশটিতে মোতায়েন রাখবেন। সূত্র : বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা