kalerkantho

সোমবার । ৩ কার্তিক ১৪২৭। ১৯ অক্টোবর ২০২০। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

তাইওয়ান প্রণালির কাছে চীনের সামরিক মহড়া

মার্কিন কূটনীতিকের তাইওয়ান সফরের প্রতিবাদ!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



তাইওয়ান প্রণালির কাছে সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের এক কূটনীতিক তাইওয়ান সফরে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া হিসেবে চীন এই মহড়া চালাচ্ছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মহড়ার কারণে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরো খানিকটা বেড়ে যাবে।

১৯৪৯ সালে গৃহযুদ্ধের মধ্য দিয়ে চীন থেকে আলাদা হয়ে যায় তাইওয়ান। কিন্তু স্বায়ত্তশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন একটা ভূখণ্ড হিসেবে দেখে চীন। তাদের বক্তব্য, যেকোনো সময় তাইওয়ানকে চীনের সঙ্গে একীভূত করা হবে; প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে হলেও। চীনের এই দৃষ্টিভঙ্গি ‘এক চীন নীতি’ হিসেবে পরিচিত। এ কারণে তাইওয়ানের সঙ্গে আলাদা করে কূটনৈতিক সম্পর্ক চীন কখনো মেনে নেয় না। এই নীতির ফলে ১৯৭৯ সালের পর থেকে তাইওয়ানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিলও না। কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে দৃশ্যপট পাল্টাতে থাকে।

গত বৃহস্পতিবার তিন দিনের সফরে তাইওয়ান পৌঁছান যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশ বিষয়ক আন্ডারসেক্রেটারি কেইথ ক্রাচ। ৪০ বছরের মধ্যে তাইওয়ান সফরে যাওয়া মার্কিন কর্মকর্তাদের মধ্যে কেইথ সবচেয়ে উচ্চপদস্থ। স্বাভাবিক কারণেই তাঁর এই সফরে চীন ক্ষুব্ধ হয়েছে।

গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেন গুয়োকিয়াং বলেন, ‘চীনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, তাইওয়ান প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে এই মহড়া চালানো হচ্ছে।’ ক্রাচের সফরে ক্ষুব্ধ হয়ে এই মহড়া চালানো হচ্ছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে গুয়োকিয়াং বলেন, ‘তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী কিংবা বাইরের যেকোনো শক্তি মোকাবেলা করার সামর্থ্য আমাদের আছে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র বারবার তাইওয়ান ইস্যুতে সংকট তৈরি করেছে। তাদের মাথায় রাখা উচিত, তাইওয়ান চীনের অভ্যন্তরীণ একটা ইস্যু।’ সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা