kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৩ কার্তিক ১৪২৭। ২৯ অক্টোবর ২০২০। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ট্রাম্প-সালমান ফোনালাপ

ফিলিস্তিনের জন্য ন্যায্য সমাধান চায় সৌদি

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ফিলিস্তিনের জন্য ন্যায্য সমাধান চায় সৌদি

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট নিরসনে স্থায়ী ও ন্যায্য সমাধান চায় সৌদি আরব। গত রবিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে এই প্রত্যাশার কথা জানান সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ। সংযুক্ত আরব আমিরাত গত মাসে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা দেওয়ার পর এটিই ছিল সৌদি বাদশাহর সঙ্গে ট্রাম্পের প্রথম ফোনালাপ।

এত দিন আরবদেশগুলোর মধ্যে শুধু মিসর ও জর্দানের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল। কিন্তু গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা দেয়। শিগগিরই এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তি হবে। চুক্তিতে প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় আছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন চাইছে, সৌদি আরব যেন দুই দেশের চুক্তিতে সমর্থন জানায়।

এ অবস্থায় গত রবিবার ট্রাম্প ও সালমান বিন আব্দুল আজিজের মধ্যে ফোনালাপ হয়। গতকাল সৌদির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাদশাহ সালমান মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মার্কিন প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। সঙ্গে বলেছেন, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট অবশ্যই ‘আরব পিস ইনিশিয়েটিভ’-এর অধীনে হতে হবে।

২০০২ সালের এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে ইসরায়েল যে অঞ্চল দখল করেছে, তা ফিলিস্তিনের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। আর হস্তান্তর করলেই আরবদেশগুলো ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে। সৌদি আরব এখন পর্যন্ত ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি। তবে চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব।

রবিবারের ফোনালাপে এ বিষয়ে কথা বলেন ট্রাম্প ও সৌদি বাদশাহ। হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সৌদির আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ায় বাদশাহকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা ও ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার বলেছেন, শিগগিরই আরেকটি আরবদেশ ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কে জড়াবে। তবে সেই দেশটির নাম উল্লেখ করেননি তিনি। সূত্র : রয়টার্স, গার্ডিয়ান।

মন্তব্য