kalerkantho

বুধবার । ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১২ সফর ১৪৪২

ইসরায়েল-ইউএই চুক্তি

কারো মতে ঐতিহাসিক, কেউ বলছে বিশ্বাসঘাতকতা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কারো মতে ঐতিহাসিক, কেউ বলছে বিশ্বাসঘাতকতা

নিজেদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে একটা চুক্তি করার ব্যাপারে রাজি হয়েছে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। মোটামুটি তিন সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে এই চুক্তি সই হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই চুক্তির মধ্যে দিয়ে আরব বিশ্বের তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ার সুযোগ পেতে যাচ্ছে ইসরায়েল।

কোনো কোনো গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, এই চুক্তির অধীনে ইসরায়েল ভবিষ্যতে পশ্চিম তীরের আর কোনো এলাকা অধিগ্রহণ করবে না। তবে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড ফ্রিয়েডম্যান বলেছেন, চুক্তিতে এই ধরনের কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অধিগ্রহণ স্থগিত রাখা হতে পারে।

এই চুক্তি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কেউ বলছেন, এটি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি। কারো চোখে এই চুক্তি বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। ডোনাল্ড ট্রাম্প এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘দুই দেশই আমাদের কাছের বন্ধু। শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাদের মধ্যে এটি ঐতিহাসিক এক অগ্রগতি।’ হোয়াইট হাউসের উপদেষ্টা জারেড কুশনার মনে করেন, ‘এখন আরো অনেক দেশই একই পথে হাঁটা শুরু করবে।’ চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে ফ্রান্স ও জার্মানিও।

স্বাভাবিকভাবেই এই চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিন। তীব্র নিন্দাও জানিয়েছে তারা। এরই মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নিয়েছে ফিলিস্তিন। প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ‘এই চুক্তি এক ধরনের আগ্রাসন। ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতাও।’

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেছেন, ‘এই চুক্তি ফিলিস্তিনের কোনো স্বার্থ দেখবে না। এই চুক্তিকে ইসরায়েলি দখলদারি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের পুরস্কার হিসেবে দেখা যেতে পারে।’ সূত্র : এএফপি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা