kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১১ সফর ১৪৪২

হংকংয়ের নেতার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৯ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হংকংয়ের নেতার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

হংকংয়ে দমন-পীড়নসহ মানুষের রাজনৈতিক স্বাধীনতা খর্ব করায় ভূমিকা থাকার অভিযোগে নেতা ক্যারি লাম, সাবেক ও বর্তমান কয়েকজন পুলিশ প্রধান এবং আরো ১০ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। হংকংয়ে চীনের জাতীয় নিরাপত্তা আইন চালুর পর বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সই করা নির্বাহী আদেশের আওতায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা ক্যারি লামসহ অন্য কর্মকর্তাদের নাম জানিয়েছে। তবে ক্যারি লাম যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তকে হাস্যকর হিসেবে অভিহিত করেছেন। ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্ত ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় লাম বলেন, এই কৌতুককর ব্যবস্থা চীনের মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চীনের চাপিয়ে দেওয়া নিরাপত্তা আইনে হংকংয়ের স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ আইন চীনা মূল ভূখণ্ডের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কোনো জবাবদিহি ছাড়াই সেখানে কাজ করার পথ প্রশস্ত করেছে। ফলে হংকংয়ে কেউ চীনবৈরী বলে সন্দেহ সৃষ্টি হলে তার দমন-পীড়নের শিকার হওয়ার পট প্রস্তুত হয়েছে।’ এতে আরো বলা হয়, ‘হংকংয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরা চীনের এই কঠোর নীতি বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি দায়ী প্রধান নির্বাহী ক্যারি লাম।’

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মিউচিন বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র হংকংয়ের জনগণের পাশে আছে। আমরা আমাদের হাতে থাকা বিভিন্ন উপায় এবং ক্ষমতাবলে স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্নকারীদের নিশানায় রাখব।’ নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়া হংকংয়ের কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সব সম্পদ জব্দ হবে এবং মার্কিনিদের সঙ্গে তাঁদের লেনদেনও নিষিদ্ধ থাকবে।

হংকংয়ের বিরুদ্ধে নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের এটাই সবচেয়ে কঠোর ব্যবস্থা।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও এ ব্যাপারে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আজকের ব্যবস্থা একটি স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে, হংকং কর্তৃপক্ষ তাদের জনগণের ওপর যে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ চীনের নতুন আইন প্রণয়নের পর হংকংয়ের কর্তৃপক্ষের ওপর এই কঠোর ব্যবস্থা নিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই আইনে বিচ্ছিন্নতার চেষ্টাকারীকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। পম্পেও বলেন, এই আইনের মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ উপনিবেশের কাছ থেকে হংকংয়ের দায়িত্ব গ্রহণের সময় চীন যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা লঙ্ঘন করেছে। সূত্র : এএফপি, বিবিসি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা