kalerkantho

রবিবার । ১২ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০। ৯ সফর ১৪৪২

বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত বৈরুত

দূর থেকেই পাশে দাঁড়াচ্ছেন প্রবাসী লেবানিজরা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৭ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বৈরুতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত লেবানিজরা। করোনা মহামারির মধ্যেও স্বদেশিদের জন্য ব্যক্তি উদ্যোগে অর্থ পাঠাচ্ছেন অনেকে। জরুরি তহবিল গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে অনেক প্রতিষ্ঠান।

লেবাননের বৈরুত এখন ধ্বংসস্তূপ। গত মঙ্গলবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে সেখানে প্রাণ গেছে শতাধিক মানুষের। আহতের সংখ্যা কয়েক হাজার। গৃহহীন হয়ে পড়েছে প্রায় তিন লাখ মানুষ।

লেবাননের জনসংখ্যা ৫০ লাখের মতো। কিন্তু দেশটির জনসংখ্যার প্রায় তিন গুণ অভিবাসী রয়েছেন বিভিন্ন দেশে। এর মধ্যে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও কলম্বিয়ায়ই আছেন ৭০ লাখের মতো।

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী পেশাজীবী লেবানিজদের নানা ধরনের সহায়তা দিয়ে থাকে অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘লেবনেট’। ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ আকিকি বলেন, ‘একটি জরুরি তহবিল গঠনের জন্য সকাল থেকেই শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে কথা বলে যাচ্ছি। সবাই সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’ তিনি জানান, ‘লাইফ লেবানন’ ও ‘এসইএএল’ নামের আরো দুটি সংগঠন তাঁদের সঙ্গে কাজ করছে। তারা সবাই মিলে গঠন করেছে ‘বৈরুত জরুরি তহবিল ২০২০’।

ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ব্যক্তিগতভাবে লেবাননে অর্থ পাঠিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ব্যবসায়ী হাবিব হাদাদ। লেবাননের এই অভিবাসী বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমি এবং আমার স্ত্রী মিলে ১০ হাজার ডলার পাঠিয়েছি। নতুন করে অবকাঠামো নির্মাণসহ অন্যান্য জরুরি সহায়তার জন্য আমরা আরো অর্থ পাঠাব।’ তিনি জানান, তাঁর মতো অনেকেই নিজেদের সাধ্যমতো লেবাননে অর্থ পাঠাচ্ছেন।

ব্রাজিলের সাও পাওলোতে একটি রেস্তোরাঁ চালান মারোন ডাকাচি নামের এক লেবানিজ। তিনি বলেন, ‘আমরা সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। সবাই চেষ্টাও করছে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো যাচ্ছে না।’ এমনিতেই অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে লেবানন। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সই দেশটির অর্থনীতির মূলভিত্তি। কিন্তু গত বছর থেকে রেমিট্যান্সের প্রবাহ অনেক কমে গেছে। প্রতিবছর গ্রীষ্মের ছুটিতে লেবানিজরা নিজ দেশে বেড়াতে যান। সূত্র : আলজাজিরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা