kalerkantho

সোমবার । ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ । ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০। ১০ সফর ১৪৪২

একনজরে রামমন্দির

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

৬ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রামমন্দিরের আইনি লড়াই শুরু হয়েছিল ১৩৪ বছর আগে। আর দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে টানাপড়েনটা চলছিল এরও অনেক আগে থেকে। পাঁচ শতক ধরে চলতে থাকা এই টানাপড়েনের পর সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়, ‘রাম জন্মভূমি’তে মন্দিরই হবে।

১৫২৮ : অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ তৈরি করান মোগল সম্রাট বাবরের সেনাপতি মির বাকি।

১৮৮৫ : ব্রিটিশ আমলে ফৈজাবাদের জেলা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে রাম জন্মভূমি-বাবরি মসজিদের বিতর্কিত কাঠামোর বাইরে শামিয়ানা তৈরি করে রামলালার মূর্তি স্থাপনের অবেদন জানান মহন্ত রঘুবীর দাস। আরজি খারিজ করেন ব্রিটিশ আদালত।

১৯৪৯ : ভারতের স্বাধীনতার দেড় বছর পর বিতর্কিত কাঠামোর মূল গম্বুজের নিচে রামলালার মূর্তি স্থাপন করা হয়। মন্দিরপন্থীরা দাবি করল, ‘রামলালা প্রকট হয়েছেন’।

১৯৫০ : গোপাল সিমলা ও মহন্ত রামচন্দ্র দাস ফৈজাবাদ আদালতে আলাদা মামলা করে বিতর্কিত স্থানে রামলালার পূজার অনুমতি চান।

১৯৫৯ : বিতর্কিত জমির মালিকানা দাবি করে মামলা করল নির্মোহী আখড়া।

১৯৮১ : বিতর্কিত জমির মালিকানা দাবি করে আদালতের দ্বারস্থ হয় উত্তর প্রদেশ সেন্ট্রাল সুন্নি ওয়াক্ফ বোর্ড।

১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ : বিতর্কিত কাঠামোর দরজা হিন্দুদের উপাসনার জন্য খুলে দিতে বললেন ফৈজাবাদের আদালত।

৬ ডিসেম্বর, ১৯৯২ : কর সেবকরা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় বাবরি মসজিদ।

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১০ : অযোধ্যা মামলার রায়ে এলাহাবাদ হাইকোর্ট জানান, বিতর্কিত জমি তিন ভাগে ভাগ করে দেওয়া হচ্ছে সুন্নি ওয়াক্ফ বোর্ড, নির্মোহী আখড়া ও রামলালা বিরাজমানের মধ্যে।

৯ মে, ২০১১ : এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ দিলেন সুপ্রিম কোর্ট।

৯ নভেম্বর, ২০১৯ : সুপ্রিম কোর্ট রায় দিলেন, অযোধ্যায় বিতর্কিত জমিতে হিন্দুদের মন্দির তৈরি হবে। বিকল্প পাঁচ একর জমি দেওয়া হবে মুসলিম সুন্নি ওয়াক্ফ বোর্ডকে।

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ : অযোধ্যার সোহাওয়াল তহশিলে পাঁচ একর জমিতে মসজিদ স্থাপনের জন্য উত্তর প্রদেশ সরকার প্রদত্ত জমি গ্রহণ করে উত্তর প্রদেশ সুন্নি সেন্ট্রাল ওয়াক্ফ বোর্ড।

৫ আগস্ট ২০২০ : অযোধ্যায় রামমন্দিরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের আগে ভূমিপূজা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এরপর রুপার ইট দিয়ে রামমন্দিরের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা