kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

ভারতের রাজনীতি

সচিন পাইলটকে কেন্দ্রে আনতে কংগ্রেসে তোড়জোড়

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের জেরে ভারতের রাজস্থানের কংগ্রেস নেতা সচিন পাইলট ক্ষমতাসীন দলে ভিড়ছেন, এমন খবর নাকচ করে দিয়ে গতকাল বুধবারও তিনি জানিয়েছেন, এখনো কংগ্রেসেই আছেন তিনি। এদিকে তাঁকে রাজস্থান কংগ্রেসের প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলেও এখন তাঁকে কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, এমনটা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। 

কংগ্রেস সূত্র জানিয়েছে, গতকাল সচিনকে দলের তরফ থেকে নোটিশ পাঠিয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে, কেন তাঁর বিধানসভার সদস্যপদ খারিজ করা হবে না। দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করায় গত মঙ্গলবারই তাঁকে জোড়া সাজা দেওয়া হয়, কেড়ে নেওয়া হয় তাঁর উপমুখ্যমন্ত্রিত্ব এবং তাঁকে অপসারিত করা হয় রাজস্থান কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে। পদ হারিয়েছেন তাঁর সঙ্গ নেওয়া দুই মন্ত্রীও। কংগ্রেসের হাইকমান্ডের তরফে রাজস্থানের পর্যবেক্ষক অবিনাশ পাণ্ডে অবশ্য জানিয়েছেন, ‘সচিনের জন্য কংগ্রেসের দরজা এখনো খোলা। নিজের ভুল তিনি বুঝতে পেরেছেন এবং বিজেপির (ভারতীয় জনতা পার্টি) ছল অতিক্রম করতে পেরেছেন।’

এদিকে মিটমাটের চেষ্টায় উদ্যোগী কংগ্রেস সচিনকে পুুুনর্বাসন দিতে এক মাস সময় চেয়ে নিয়েছে। তাঁকে আর কোনোভাবেই স্থানীয় রাজনীতিতে রাখা যাবে না, এমনটা বুঝতে পেরে দলের হাইকমান্ড তাঁকে কেন্দ্রীয় স্তরে অন্তর্ভুক্ত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এ জন্য সচিনের দায়িত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে কংগ্রেস, এমনটাই জানিয়েছে সূত্র। তবে সে জন্য সচিনকে বিনা শর্তে দলে ফিরতে হবে, এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্র। রাজস্থান কংগ্রেসে বিদ্রোহ প্রশমন করে সচিনকে মূলস্রোতে ফেরাতে কংগ্রেস দূত হিসেবে রণদীপ সুরজেওয়ালাকে পাঠিয়েছে। রাজস্থানে প্রবীণ বনাম নবীন দ্বন্দ্বে গত সোমবার পর্যন্ত বেশ চাপে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলত। কারণ সচিন শিবিরের দাবি ছিল, তাঁদের সঙ্গে বিধানসভার ৩০ সদস্য আছেন। ফলে গেহলতের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের পতন অনিবার্য। সূত্র : এনডিটিভি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা