kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

সাফল্যের দুয়ারে মডার্নার টিকা

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৬ জুলাই, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সাফল্যের দুয়ারে মডার্নার টিকা

কভিড-১৯ মোকাবেলায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে টিকা উদ্ভাবনের প্রচেষ্টা জোরেশোরে চলছে। এরই মধ্যে আশার আলো দেখিয়েছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। তবে মার্কিন বায়োটেক কম্পানি মডার্না এই টিকা উদ্ভাবনের প্রচেষ্টায় সাফল্যের দুয়ারে আছে। আগামী ২৭ জুলাই থেকে প্রতিষ্ঠানটি মানুষের ওপর এই টিকা পরীক্ষার চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। মঙ্গলবার মডার্না এও জানিয়েছে, এই টিকা নিলে মানুষের সুরক্ষা কতটা নিশ্চিত করা সম্ভব, তা বোঝা যাবে এই পর্যায়ে।

এই টিকা আরএনএ বা জিনভিত্তিক প্রথম টিকাগুলোর অন্যতম। ফলে এই উদ্যোগ সফল হলে প্রথাগত টিকার তুলনায় অনেক দ্রুত বৃহৎ পরিসরে উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে। আগামী ২৭ জুলাই থেকে মডার্না কম্পানির তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়া হবে। তাদের অর্ধেক পাবে ১০০ মাইক্রোগ্রাম ডোজের টিকা; বাকি অর্ধেক পাবে প্লসিবো বা কার্যকর নয়, এমন ‘নকল’ টিকা। তারপর গবেষকরা দুই বছর ধরে সেই ব্যক্তিদের ওপর নজর রাখবেন। তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হলে পরীক্ষা করে দেখা হবে, যে মডার্না কম্পানির টিকা আদৌ কভিড-১৯-এর উপসর্গ প্রতিরোধ করতে পেরেছে কি না। এই রোগের মারাত্মক রূপ থেকে মানুষ রক্ষা পেলেই টিকাটিকে সফল হিসেবে গণ্য করা হবে। এই গবেষণার মেয়াদ ২০২২ সালের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত হলেও তার অনেক আগে প্রাথমিক ফল জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মডার্নার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিফেন ব্যানসেল বলেছেন, গত মার্চ এই টিকা প্রথম দেওয়া হয়েছিল ৪৫ জন প্রাপ্তবয়স্ক স্বেচ্ছাসেবককে। তাঁরা এত দিন পর্যবেক্ষণে ছিলেন। প্রত্যেকের শরীরেই আরএনএ ভাইরাসের প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও আগের থেকে বেড়েছে। গত মঙ্গলবার এসংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন ‘নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিন’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

মডার্না জানিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ৪৫ জন স্বেচ্ছাসেবককে তিনটি দলে ভাগ করে তিন রকমের ডোজে টিকা দেওয়া হয়। তাঁদের বয়স ১৮ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। ২৫ মাইক্রোগ্রাম, ১০০ মাইক্রোগ্রাম ও ২৫০ মাইক্রোগ্রাম ডোজে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়। ২৮ দিনের ব্যবধানে এই তিন রকমের ডোজের দুটি করে শট দেওয়া হয় স্বেচ্ছাসেবকদের।

করোনার বিশ্ব পরিস্থিতি : বৈশ্বিক পরিসংখ্যানভিত্তিক ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারের হিসাবে, গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা পর্যন্ত বিশ্বের ২১৩টি দেশ-অঞ্চলে নথিভুক্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক কোটি ৩৫ লাখ ছাড়িয়েছে। এ সময়ে মারা গেছে পাঁচ লাখ ৮২ হাজারের বেশি মানুষ। আর সুস্থ হয়েছে ৭৯ লাখ রোগী। সূত্র : ডয়চে ভেলে, দ্য ওয়াল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা